মুসলিম উম্মাহের প্রতি কিছু কথা

মুসলিম উম্মাহের প্রতি কিছু কথা

সত্যসন্ধানী

একটা বিষয় খুব ভালভাবে খেয়াল করার প্রয়োজন আছে। ইসলামের চার মাযহাবের প্রতিস্ঠাতাগণ কেউ একথা বলেননি যে, আমাদের মাযহাবই উত্তম। আমাদের অনুসরণ করুন। বরং যুগে যুগে উলামায়ে কেরাম এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানগন যে মাযহাবটি পবিত্র কুরআন সুন্নাহর সাথে বেশি নিকটবর্তী মনের করেছেন সে মাযহাব মতে তাদের জীবন পরিচালনা করেছেন, রাসূল (সা.) এর আদর্শ গ্রহণ করেছে। অথচ বর্তমানে আহলে হাদীস তা থেকে ব্যতিক্রম। এরা খেয়ে নাখেয়ে মুসলমানদেরকে তাদের অনুসারী বানাতে চায়।আচ্ছা বলেন তো আল্লাহ তা’আলা কি তাদের কাছে ওহী পাঠিয়েছেন যে, তারা হক। নাকি রাসূল (সা.) তাদের বলে গিয়েছে তারাই সঠিক ইসলামের উপর আছে। কয়েকজন সেঙরা মিলে বিধর্মীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে মুসলমানদের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টির লক্ষে আলাদা একটি দল করেছে। একটা কথা মনে রাখবেন যে কোনো বিষয়ে ইখতিলাফ হয় এবং সে ইখতিলাফটাকে আপন পক্ষ জিয়ে রাখতে চায় তাতে মানুষের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। বর্তমানে আহলে হাদীসরা ইসলামী অনুশাসনের উপর মুসলমানদের সন্দেহ সৃষ্টি করে ঈমান হারা করার জন্যই মূলত এই দল ঘটন করেছে। এক দিকে ধর্মীয় অনুশাসন অন্য দিকে ইসলামের কর্ণধার সাহাবায়ে কেরাম থেকে আরম্ভ করে ইমাম মুজতাহিদ, মুহাদ্দিস এবং এই পর্যন্ত বিজ্ঞ আলেমগণ। তাদের সবার প্রতি সন্দেহ সৃষ্টি করাই এই আহলে হাদীস দলের মূল উদ্দেশ্য। একারণে এদের থিউরী হলো আল্লাহ ও রাসূল (সা.) ছাড়া কউকে মানা যাবে না। আরে বেকুপের দল আল্লাহ ও রাসূলকে কি তুমি দেখেছ নাকি তোর বাপ দাদা চৌদ্দগোষ্ঠী দেখেছে। আল্লাহ ও রাসুলকে মানার জন্যই তো পূর্বপুরুষ ইসলামী মনীষীদের মানতে হচ্ছে এবং মানতে হবে।

একটা হাদীস জিজ্ঞেস করলে এই আহলে হাদীস লামাযহাবীরা আলবানীর একটা লিংক দেয়। একটা ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করলে মতিউর রহমানের একটা লিকচার শোনায়। তার অর্থ কি? বিষয়টি সে জানে না। বরং আলবানী আর মতিরা যা বলছে তাই সে মানছে। একতা বোঝার মত জ্ঞানও তাদের নেই যে, আলবানী আর মতির যে অন্ধ অনুসরণ করছে তাই মূলত তাকলীদ। অথচ অন্য দিকে বলবে তাকলীদ করা শিরিক। তাদের গুরুরাও তাদের সেরূপ বুঝিয়ে দেয়, আমরা কারো তাকলীদ করি না। এই কথাটা যে, তার শ্রুতাগণ মানছে তাইতো তাকলীদ। তাইতো অন্ধ বিশ্বাস। সেটা কিন্তু গুরুরা বুঝলেও সাধারণ লোকদের বলে না। তাদের এসব কার্যক্রম থেকে বোঝা গেল ইসলামের কর্ণধার চার ইমামের তাকলীদ করলেই মূলত শিরিক হয়। আর এসব ছেঙ্গরা আলবানী আর মতিদের তাকলীদ করলে শিরিক হয় না।

অথবা কোনো মাসআলা নিয়ে কথা উঠলে একটা বাংলা বই নিয়ে আসে। সে একথা বোঝে না যে, বইটাআল্লাহ তা’আলা আসমান থেকে এইমাত্র ফেলেছেন তা নয়। বরং বইটা একজন লিখক কর্তৃক লিখিত। সুতরাং বইটি থেকে কিছু শিখে আমল করা মানে উক্ত বইয়ের লেখককে বইয়ে লিখিত বিষয়ে বিশ্বস্ত মনে করে তার অনুসরণ করা। তাই তাকলীদ বা অন্ধ অনুসরণ। অথচ সে নিজেই বলবে আমরা কারো তাকলীদ করি না। তাথেকে বোঝা যায় তারা যে, কারো অন্ধ অনুসরণ করছে সেকথাও তাদের জানা নেই।

অনেকে আহলে হাদীসদের এসব দাবীর উপর সামান্য ইতস্তত করে তাকলীদে শখসী বা কোনো এক লোককে অন্ধ অনুসরণ করার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে। অথচ তার কোনো কারণ আমি খোঁজে পাই না। কারণ ওই লোক যে দিন থেকে কিছু শিখছিল সে দিন থেকেই যে তার উস্তাদের অনুসরণ করে এসেছে। তার উস্তাদ বা মাতাপিতা যা শিক্ষা দিয়েছে তার উপরই আমল করে এসেছে। স্বয়ং আহলে হাদীসের ছেলে সন্তানদের কথাই বলি। তারা তাদের সন্তানদের যা শিক্ষা দেয় সেমতেই তারা আমল করে। তাহলে কি সে নিজের সন্তানকে বুঝে শুনে মুশরিক বানাচ্ছে? আচ্ছা ছোট সন্তান বললে প্রশ্ন আসতে পারে। তার বালেগ সন্তান আগে নামায পড়ত না। নামাযের ব্যাপারে জানতও না। এখন সে নিজে পিতা হিসেবে তার বালেগ সন্তানকে নামায শিক্ষা দিচ্ছে। সে সন্তান তার শিখানো পদ্ধতি মতে নামায পড়ছে। তাহেলে কি সে শিরিক করছে?  কারণ কোনো ব্যক্তির প্রতি অন্ধ অনুসরণ এর চাইতে আর বেশি হতে পারে না। তাদের থিউরী মতে সকল মুসলমানের সন্তানরা ছোটকালে মুশরিক থাকে। বড় হয়ে যখন বোখারী শরীফ পড়ে কিছু শিখে তখন সে মুসলমান হয়।

আমরা বলি তাদের থিউরী মতে আহলে হাদীসদের সন্তানরা মুশরিক। কিন্তু আমাদের থিউরীমতে প্রকৃত মুসলমনা সেই যে অন্যকে অনুসরণ করে ইসলাম শিক্ষা করে এবং দ্বীনি আমলগুলো করে থাকে। সে কারণে আমাদের সন্তানরা মুশরিক নয়। তাদের সন্তানরাও মুশরিক আবার সে নিজে যতটুকু বিষয় অন্য থেকে শিখে সে মতে আমল করে ততটুকু মুশরিক। সুতরাং আমরা তথাকথিত আহলে হাদীস গাইরে মুকাল্লিদ হয়ে নিজেদের সন্তানদের মুশরিক বানাতে চাই না। নিজেরাও মুশরিক হতে চাই না।

আহলে হাদীসদের গুরুরা এগুলো সব বোঝে। কিন্তু তাদের বানানো হয়েছে এসব করার জন্য। তারা এসব চাকরী করছে। সুতরাং তাদের বিভিন্ন কথায় বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বরং এরা বিদেশের এজেন্ট। ধর্ম দেশ ও জাতি বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এদের ব্যাপারে সবধান থাকা অতীব জরুরী।

অনেকে অবশ্যই ঐক্যের খাতিরে বলে থাকেন এসব নিয়ে এত বিতর্ক করার কি প্রয়োজন।? বরং কিছু কিছু আলেম উলামারও একই মত পোষণ করে।এর কারণ হলো এরাও মনে করে  আহলে হাদীস লামাযহাবীরা মালেকী, শাফেয়ীদের মত সামান্য বিষয় নিয়ে ইখতিলাফ করছে, সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগার কি প্রয়োজন। অথচ তারা জানেন না এই আহলে হাদীস দলটি বিধর্মীদের সৃষ্ট। ইংরেজ আমলে ইংরেজ সরকার এদের সৃষ্টি করেছিল। মুসলমানদেরকে আলেম উলামা থেকে বিচ্চিন্ন করা জন্য। ইসলামের কর্ণধার সাহাবায়ে কেরাম, ইমাম মুজতাহিদ, মুহাদ্দিসসহ সকলের প্রতি মুসলমানদের সন্দেহ সৃষ্টির জন্য। সম্প্রতি বিধর্মীরা সে একই উদ্দেশ্যে এদের তৎপরতা বাড়ানোর পথে চেস্টা করছে।  পেট্রোডলারের গরমে এরাও দুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।ইসলাম ধর্মে ভিন্ন একটি দল হিসেবে প্রতিস্ঠা পেতে অপপ্রয়াস চালাচ্ছে এই লা-মাযহাবীরা।

এদের মুরুব্বীদের সব লেখা একত্র করলে দেখা যায় এরা কিভাবে সাহাব বিদ্বেষী। কীরূপে ইমাম মুজতাহিদ, মুহাদ্দিস এমনকি সেহাহ সিত্তার লিখকগণের প্রতি বিদ্বেষী। এদের কলমের খুচায় ইমাম বোখারীও অনেক সময় ইসলাম থেকে বের হয়ে যান।এদের লেখা, বক্তৃতা, লেকচার এবং বিবৃতিতে ইমাম আবু হানীফা, ইমাম শাফেয়ীসহ ইসলামের বিদগ্ধ ব্যক্তিগণ কতবার যে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছেন তার পাত্তা নেই। সবই এদের লেকচার, লেখা এবং পোষ্টে পাওয়া যাবে। যদি এদের সে ধরনের লেখাগুলো একত্র করা হয় তখন  যে কোনো মুসলমান স্বয়ংতাদেরকে ইসলাম থেকেও খারিজ করে দেবে।

অথচ উলামায়ে দেওবন্দ তথা হক্কানী উলামায়ে কেরাম এখনও তাদের ব্যাপারে বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তারপরেও এরা উলামা দেওবন্দের আকাবিরগণ যারা ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন সেরূপ বিশ্ববিখ্যাত মনিষীদের বিরুদ্ধে কাফের, মুশরিক, ফাসেক, বিদাতী ইত্যাদি বলে যাচ্ছে। যাতে মানুষ মনে করে তারা হক। এর পরও ওলামায়ে কেরাম সৌজন্যতাবোধ এবং শালীনতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক পদক্ষেপ নেননি।

কিন্তু উলামায়ে কেরামের একটা কথা খেয়াল রাখা প্রয়োজন যে, সৌজন্যতা বোধ দেখানোর কিছু লোক থাকে, সময় থাকে, পরিবেশ থাকে। আহলে হাদীসরা তো আপনাদেরকে মুসলমানও মনে করে না। সবচেয়ে নিকৃষ্ট মুশরিক মনে করে। আহলে হাদীস দলের অন্তর্ভুক্তদের ছাড়া কোনো মুসলমানকে তারা মুসলমান মনে করে না। তা থেকে স্পষ্ট হয় যে, এটি ইসলামের ইতিহাসে খারেজী সম্প্রদায়ের একটি নতুনরূপ। যা ইহুদীদের সৃষ্ট। সুতরাং এদের ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের পূনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন আছে।  প্রয়োজনে আপনারা মিডিয়াগুলোতে খোঁজ নেন। বিশেষ করে ইন্টারনেট জগতে আসুন। আহলে হাদীসদের দৌরাত্ম কোন পর্যায়ের দেখতে পাবেন।

সাধারণ মুসলমানদের বলব, নিজের চোখ কান খোলা রেখে তথাকথিত আহলে হাদীস লামাযহাবী গাইরে মুকাল্লিদদের ব্যাপারে যাচাই করুন। তাদের প্রত্যেকটি কাজে মিথ্যা, প্রতারণ এবং ধোঁকা বাজি স্পষ্ট হয়ে যাবে। মুসলমানদের শান হলো তারা বারবার একই প্রতারণার শিকার হয় না। আপনিও একজন মুসলমান হিসেবে তাদের ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

স্বয়ং আহলে হাদীস ভাইদের বলছি, আপনারা যারা এখনও তাদের পেট্রোডলারের নাগাল পাননি আপনাদের উচিত হবে এদের খুটির জোর কোথায় তা আবিস্কার করার। বর্তমানের সৌদী আরব বা আরব বিশ্ব ধর্মীয় ব্যাপারে মুসলমানদের মডেল নয়। কারণ তারা সকলে পরাশ্রিত। একটু খেয়াল করে দেখুন। সৌদীরা হাদীসের কথা কি বলব? কেন বলবে? তারা তো নিজেদের দেশে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ও সাহাবায়ে কেরামের হাদীস ও আসার সংরক্ষণ করতে পারেনি। বরং তাদেরকেই হাদীস নিতে অনারব থেক। আপনি দেখুন সেহাহ সিত্তা ছয় লেখকই অনারব। আবার হাদীসের ব্যাখ্যাকারীরাও বেশিরভাগ অনারবী। সুতরাং আহলে হাদীসরা যতই সৌদী আরবের কথা বলুক না কেন, বর্তমান আরব ইসলামের জন্য মডেল নয়।

মিসরের ইতিহাসের দৃষ্টিপাত করুন। আল-আযহার যখন ইসলামী শিক্ষায় সমৃদ্ধ হচ্ছিল তখন থেকেই এর বিরুদ্ধে বিধর্মীয়দের ষড়যন্ত্র আরম্ভ হয়। শত শত বছর চলেগেছে সে ষড়যন্ত্র থেকে উক্ত প্রতিষ্ঠান বেরিয়ে আসতে পারেনি। আরবরাও সে ষড়যন্ত্রের শিকার। আরবের প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথাকথিত আহলে হাদীসদের দখলে। কিভাবে তারা দখলে নিয়েছে? নিয়েছে বিধর্মীদের প্ররোচনায়, ষড়যন্ত্রের বদৌলতে। সে কারণেই তারা সবসময় আরবের কথা বলে। বিধর্মীরা মনে করেছে যদি ধর্মীয় ব্যাপারে এসব বিকৃত ও বিক্রিত ব্যাপস্থাপনা আরবে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে সারা দুনিয়ায় তা প্রতিষ্ঠিত হবে। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন, ইসলামের সূর্য এক দিকে মলিন হলে অন্য দিকে স্পষ্ট হয়। সেহাহে সিত্তা তার সাক্ষী। সুতরাং আরবের আমল দেখিয়ে দলীল দেওয়া তথাকথিত আহলে হাদীসদের আরেকটি ষড়যন্ত্র। যদি কেউ আরবদের আমল দেখায় তখন আপনি বলবেন, আপনারা বলেন কুরআন হাদীস ছাড়া কিছুই আপনারা মানেন না। এখন আরবদের আমল দেখান কেন? তখন কিন্তু তার মুখ মলিন হয়ে যাবে। হাসি চলে যাবে। এর পর যদি সেহাত সিত্তার কথা বলেন, তখন সে আপনাকে অন্য বিষয় নিয়ে আলাপ জোড়ে দেবে। সে ক্ষেত্রে যদি আপনি তার কথাকে অপ্রাসাঙ্গিক বলতে পারেন তখনই তার ধরা। সে নড়ছড়া করতে পারবে না।

সর্ব শেষ বলব, ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলেছে, চলতে থাকবে। কিন্তু যুগে যুগে উলামায়ে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। করতে পারার কারণ ছিল মুসলমানগণ ইসলামের কর্ণধারদের থেকে বিচ্চিন্ন ছিল না। আলেমদের কাজে সহযোগিতা করেছে। এখনও যে কোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার মত দুনিয়াতে লাখো আলেম রয়েছে। তারা সময়মত পদক্ষেপ নিয়ে যাবতীয় ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ। মুসলমানদের কাজ হলো যে কোনো বিষয়ে সন্দেহ হয়েছে হক্কানী আলেমদের শরনাপন্ন হওয়া। মিডিয়ায় লেকচার শুনে কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। বরং ইসলাম এসেছে হাতে কলমে শিক্ষা দিয়ে দিয়ে। সে প্রকৃত ইসলাম সে ধারাতে থাকবে। সে ধারাই হলো ইসলামী পদ্ধতি।

আল্লাহ সকলকে সত্য বোঝার এবং মানার তৌফীক দান করুন। আমীন।

Advertisements

3 thoughts on “মুসলিম উম্মাহের প্রতি কিছু কথা

  1. nuralam says:

    আল্হামদু লিল্লাহ খুব খুশি হলাম, যে আমাদের আহনাফের পক্ষ থেকে একটি সঠিক ওয়েব সাইট খোলা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মুসলিম জাহানকে এর থেকে ফায়দা হাসিল করার তৌফিক দান করুন,এবং সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে সকলকে হেফাজত করুন। আমীন।

  2. Amin says:

    আলহামদুল্লিহ খুব ভাল লাগলো, আরো লেখার জন্য অনুরোধ রইলো। এসকল বিষয়ে সকলের জানা দরকার তাই বেশি করে লেখার জন্য আবেদন।

  3. mmnoman kasem says:

    আলহামদুল্লিহ খুব ভাল লাগলো, আরো লেখার জন্য অনুরোধ রইলো। এসকল বিষয়ে সকলের জানা দরকার তাই বেশি করে লেখার জন্য আবেদন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s