ড. জাকির নায়েক ও তাবলীগ জামাআত

(অনেক সময় নিয়ে কষ্ট করে লেখা, দয়া করে পড়বেন এবং পুরোটা পড়বেন)

ড. জাকির নায়েক, খুব অল্প সময়ে দাঈ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ইসলামিক ব্যক্তিত্ব । কুরআন- হাদীসে দাওয়াত এর যে ফাযীলাত বলা আছে তা সম্পর্কে মুটামুটি সবাই জানে, তাই নতুন করে রফোরেন্স দিয়ে আর ধৈর্যচ্যুতি ঘটাব না।

একজন মুসলিম হিসেবে ইসলামের দাওয়াত দেয়া প্রত্যেকের কর্তব্য এবং অধিকারও। তিনিও তার এই দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার দাওয়াতকে মুটামুটিভাবে কার্যকরও বলা যায়। । মুসলমানদের বর্তমান এই অধঃপতনের যুগে যে কেউ যেকোনভাবে দাওয়াত দিলেই তা সাদরে গ্রহণযোগ্য, যদি তাতে সরাসরি কুরআন- হাদীস বিরুদ্ধ কোন কিছু না পাওয়া যায়। সেই হিসেবে ডক্টরের দাওয়াত বা দাওয়াত এর পন্থা নিয়ে সমালোচনার দৃষ্টিতে কখনো ভাবিনি এবং ভাবতে চাইও না।

আজকে ফেইসবুকে একটি লিঙ্ক পেলাম তাবলীগ জামাআতের ব্যাপারে ডক্টরের দৃষ্টিভঙ্গির একটি ভিডিওর (Click This Link)। এখানে তিনি মুটামুটি ভদ্রভাবেই তাবলীগের ব্যাপারে কিছু মন্তব্য করেছেন। তার এই কথাগুলো শুনে মনে চাইল কয়েকটা বিষয় লেখার। তার কিছু কথা আংশিক সত্য, কিছু কথাকে মিথ্যা বলা না গেলেও ভুল অবশ্যই।

তার মন্তব্য ভিডিওটা থেকে দেখে নিতে অনুরোধ করলাম। আর আমি এখানে তার সব মন্তব্য উল্লেখ ছাড়া তাবলিগের ব্যাপারে স্বাভাবিক কিছু আপত্তি এবং অন্য কিছু ব্যাপারেও লিখলাম।

 

১. ড. জাকির নায়েক বলেন শিয়া- সুন্নি, হানাফি- শাফিঈ এসব মতভেদ ঠিক না।

– কথা সত্যি। তবে প্রকৃত ব্যাপার হল কাউকে কাফের ফতোয়া দেয়া হয়, তাকে হেয় করার জন্য না, তার আকীদা থেকে সাধারণ মানুষদেরকে সতর্ক করার জন্য। তেমনি শিয়াদের ইমান অথবা মুসলমানিত্ব না থাকার ব্যাপারে হানাফী, শাফিঈ, মালিকী, হাম্বালী এবং আহলে হাদীস আলীমগণ সবাই একমত। তাদের আকীদা- বিশ্বাস আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের পরিপন্থী। সুতরাং তাদের আকীদা থেকে সতর্ক করার জন্য যদি তাদেরকে শিয়া নামে আলাদাভাবে দেখানো হয় এবং আমরা যদি তাদের আকীদা থেকে আমাদের ভিন্নতার জন্য নিজেদেরকে সুন্নী বলি সেটা মনে হয় না ঘোরতর অপরাধ।

 

আর হানাফ- শাফিঈ এগুলো হল ফিকহি মতপার্থক্যের স্বাভাবিক একটি প্রতিফলন। একজন বে- আলীম যদি কোন আলীমকে মাসআলা জিজ্ঞেস করে তাতে দোষের কিছু নেই (সুরা নাহল ৪৩)। আর আলীম হিসেবে হানাফী- শাফিঈ রাহ. গণকে অস্বীকার করার কোনই কারন নেই। সুতরাং কেউ যদি তাদের অনুসরন করে, অর্থাৎ তাদের বরা মাসআলায় আমাল করে তাতে কোন দোষ থাকার কথা না। আর হানাফী- শাফিঈ বলে শুধুমাত্র এই ফিকহী দৃষ্টিভঙ্গিরই ইঙ্গিত করা হয়।

সুতরাং একজন মানুষের মুসলমান হওয়ার সাথে হানাফী- শাফিঈ হওয়া সাংঘর্ষিক নয়। যদি বলি, আমাদের প্রধানমন্ত্রি কি গোপালগঞ্জি, না- কি বাংলাদেশি, তবে সেটা খুব হাস্যকর হবে। তার বাংলাদেশি হওয়ার সাথে গোপালগঞ্জি হওয়াটা সাংঘর্ষিক নয়। হানাফী- শাফিঈর ক্ষেত্রেও একই কথা।

একজন জ্ঞানী মানুষের কাছ থেকে এই স্বাভাবিক যুক্তির প্রতিফলনই আশা করি। কিন্ত আফসোস।

 

আরেকটি কথা বলা হয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি হানাফী না শাফিঈ? ঐারা এগুলো বলেন তারা বলেন বুখারী- মুসলীম অনুসরন করতে। তাহলে আমি কি এই প্রশ্ন করতে পারি না- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বুখারী- মুসলীমের অনুসরন করেছেন?

 

এবার বলা যায়, বুখারী- মুসলীম তো হাদীসের বই। তো বুখারী- মুসলীম কিন্তু কোন আসমানী কিতাব না এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এটি লিখেন নি। বুখারী- মুসলীম এবং অন্যান্য হাদীসের বই ঐতিহাসিক বিবেচনায় নিঃসন্দেহে নির্ভরযোগ্য। বুখারী- মুসলীম এর লেখকগণ যেমন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত সনদ সহ হাদীসগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন তেমনি আরো অনেকেই করেছেন। এখন বুখারী- মুসলীমের হাদীস যে ক্রাইটেরিয়ার ভিত্তিতে সহীহ তা যদি অন্য কোন হাদীসের পাওয়া যায় নিঃসন্দেহে তা- ও নির্ভরযোগ্য। এখানে কেউ ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে বুখারী- মুসলীমকে প্রাধাণ্য দিতে পারে না, সেজন্য কুরআন- হাদীসের অন্যান্য দলীল বিচার- বিশ্লেষণের প্রয়োজন। আর হানাফী- শাফিঈ এই বিচার- বিশ্লেষণেরই ফসল।

 

তাদের এসবকল মতভেদ নিয়ে তাদের সমসাময়িক বা অন্যান্য প্রসিদ্ধ আলীমরা কেউই নেতিবাচক কিছু বলেননি, এমনকি তারা নিজেরাও একজন আরেকজনকে বাতিল বলেননি, সুতরাং এগুলোকে মতভেদ বা ভেদাভেদ হিসেবে দেখানো ঠিক হবে না। তারা সবাই হক ছিলেন এবং তাদের ফিকহ নিঃসন্দেহে কুরআন- হাদীসেরই প্রতিফলন।

 

যেখানে কুরআন পাকেই জ্ঞানীদের কাছ মাসআলা জিজ্ঞেস করতে হুকুম দেয়া হয়েছে ( সুরা নাহল ৪৩ এবং আরও অন্যান্য) সেখানে কেউ যদি অমুকে বলেছে, বা অমুক আলীমকে বলতে শুনেছি এই কথাকে দোষণীয় ভাবে তবে তো দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোন কিছু করার নেই।

আর ড. নায়েক নিজেও কিন্তু ইমাম তাইমিয়ার রেফারেন্স দেন (উপরের ভিডিওতেও আছে)। ইমাম তাইমিয়া যেমন একজন সমালোচনার উর্দ্ধে অনেক বড় একজন আলীম তেমনি ইমাম আবু হানীফাহ রাহ. এবং ফিকাহের অন্য তিন ইমামও কিন্তু তার চাইতে অনেক উচুতে অবস্থান করেন।

 

২. এবার আসি তাবলীগের ব্যাপারে। তাবলীগের ব্যাপারে বেশ কিছু আপত্তি উত্থাপন করা হয়। সাধারণভাবে এসব আপত্তি নিয়ে খুব বেশি মাথাব্যাথার কারন নেই, কারন তাবলীগ যে সময় চালু হয় তখনকার প্রসিদ্ধ আলীমদের কেউ এর ব্যাপারে আপত্তি করেছেন এমন নজির কেউ দেখাতে পারবে মনে হয় না। আর আজ এক বছর পর এসে এসব আপত্তির তেমন ভিত্তি নেই।

গবচেয়ে বড় কথা হল তাবলীগের পেছনে রয়েছে দারুল উলুম দেওবান্দের সমর্থন। আর দেওবান্দ মাদ্রাসার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে কোন মুসলমান সন্দেহ প্রকাশ করলে তা হবে হাস্যকর।

 

তবে একটি ব্যাপার হল যেকোন বিষয় যখন সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে যায় তখন তাতে সাধারণ মানুষ কিছু বিকৃতি নিয়ে আসে। আমাদের কুরআন- হাদীস সমুন্নত, কিন্তু কিছু বিদআতী বা দুনিয়ালোভী পীর বা নামধারী বুযুর্গের কারনে কুরআন- হাদীসের ব্যাপারে কিন্তু অনেক বুদ্ধিজীবিরাই আপত্তি করেন। তেমনি তাবলীগের মূল চেতনা সঠিক হলেও হতে পারে সাধারণ মানুষের প্রাকটিসের কারনে এর সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণা হয়েছে।

 

সাধারণভাবে কোন নতুন আবিষ্কারকে তখন বিদআত বলা যায় যখন তা শরীআতের কোন হুকুমের সাথে সম্পর্কে করা হয়। তো তাবলীগকে কেউ যদি ফরয- ওয়াজিব বা সুন্নাত মনে করেন তবে তা- ও খারাপ। দাওয়াত ফরয, কিন্তু দাওয়াতের নির্দিষ্ট কোন ফরমেট কিন্ত ফরয না, তাবলীগও তেমনি একটি ফরমেট। এটা ততক্ষণ পর্যন্ত হক যতক্ষণ বাড়াবাড়ি না হয়। আর দেওবান্দপন্থী আলীম- উলামারা এরকম বাড়াবাড়ি করেন বলে আমি জানি না।

 

আবার কেউ কেউ আছেন যারা তাবলীগের কোন পদ্ধতির বিরোধিতা করেন। আগেই বলেছি কোন নতুন আবিষ্কারকে তখন বিদআত বলা যায় … ( উপরের প্যারায়)। স্বাভাবিকভাবে কোন কিছু একটা নির্দিষ্ট ফরমেটে করলে তার থেকে আউটপুট ভাল আসে। তো তাবলীগওয়ালারা যদি বাড়াবাড়ি না করে এমন কোন উসুল বা পদ্ধতির উপর আমাল করেন তবে তা- ও খারাপ মনে করা ঠিক মনে হয়না।

 

এরপরও তাবলীগের কিছু বিষয় সম্পর্কে দলীল দিচ্ছি।

১. হিজরতের দলীল:

 

যতদিন তাওবাহর দ্বার বন্ধ না হবে ততদিন হিজরত বন্ধ হবে না (বুখারী, তবে এইমুহুর্তে সঠিক অবস্থান বলতে পারছি না)।

 

মক্কা বিজয়ের পর হিজরত নেই কিন্তু জিহাদ ও সৎ উদ্দেশ্য (Jihad and good intention remain), এবং যদি জিহাদের ডাক আসে তবে অতিসত্বর সাড়া দাও ( বুখারী, খন্ড ১, পৃ ৩৯০, ইংলিশ ভার্সন (http://www.mclean.faithweb.com)- পৃ ৪২২, ৬৫৩, ৬৬৩, ৭২৫)।

 

লক্ষ করুন এগুলো বুখারী শরীফের হাদীস, এখানে হিজরতের সাথে এগুলোর উল্লেখ করে স্বয়ং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরতের সাথে দাওয়াতের জন্য ঘর ছাড়ার কিয়াসের পথ খুলে দিয়েছেন।

 

২. চিল্লার (চল্লিশ দিন) দলীল:

 

আর আমি মুসাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি ত্রিশ রাত্রির এবং সেগুলোকে পূর্ণ করেছি আরো দশ দ্বারা। বস্তুত এভাবে চল্লিশ রাতের মেয়াদ পূর্ণ হয়ে গেছে ( আরাফ ১৪২)।

নিশ্চয়ই তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপকরন নিজ নিজ মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন অবস্থান করে . . . ( বুখারী, সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, ২৯৮১, পৃ ৩৬৯, ইংলিশ ভার্সন- পৃ ১৮৯২)।

 

এছাড়া আরও আয়াত ও হাদীস আছে। দেখুন “চল্লিশ রাতের মেয়াদ” কথাটি উল্লেখ করে আল্লাহ পাক এর বিশেষত্বের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। সুতরাং দ্বীনি ক্ষেত্রে চল্লিশ দিনের এই বিশেষত্বের বিবেচনায় বাড়াবাড়ি না করে কেউ যদি চল্লিশ দিনের উসূল মানে সেটা দোষের হওয়ার কথা নয়।

 

মাসযিদে ঘুমানো:

 

আব্দুল্লাহ ইবনি উমার রাদ্বি. যুবক এবং অবিবাহিত (young and Unmarried) থাকা অবস্থায় মাসযিদে ঘুমাতেন (বুখারী ইংলিশ, পৃ ১১২)।

এখানে young অর্থ শিশু নয়, কারন পরে Unmarried বলা হয়েছে, শিশু হলে নিশ্চয়ই অবিবাহিত বলার প্রয়োজন পড়ে না।

 

আলী রাদ্বি. ফাতিমা রাদ্বি. এর সাথে রাগ করে মাসযিদে ঘুমেিয়ছেন (বুখারী ইংলিশ, পৃ ১১২)।

 

বৃহস্পতিবারের বয়ান:

পৃথিবীর সব জায়গায় তাবলীগের বয়ান হয় বৃহস্পতিবার বাদ আসর।

 

ইবনি মাসঊদ রাদ্বি. প্রতি বৃহস্পতিবার লোকদের ওয়াজ করতেন। একজন বললেন- হে আব্দুর রাহমান আমাদের মন চায় আপনি আমাদের প্রতিদিন নসিহত করেন। তিনি বললেন এ কাজ হতে আমাকে যা বিরত রাখে তা হল- আমি তোমাদের ক্লান্ত করতে পছন্দ করি না। আর আমি নসীহত করার ব্যাপার তোমাদের দিকে লক্ষ রাখি যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের প্রতি লক্ষ রাখতেন আমাদের ক্লান্তির আশংকায় (বুখারী, ইফাবা, পৃ ৫৮)

 

ফাযাঈলে আমাল:

এক্ষেত্রে ড. নায়েক বলেছেন এর মধ্যে সহীহ, দ্বঈফ, মাউদ্বু সব ধরনের হাদীস আছে। এটি সম্পূর্ণ সত্যি কথা এবং এটা কোন ভুল বা অসদুদ্দেশ্যে করা না। কারন ফিকাহবিদদের মতে ফাযাঈলের ক্ষেত্রে দূর্বল হাদীস গ্রহণযোগ্য। আর প্রসঙ্হক্রমে কিছু দূর্বল হাদীস এসেছে, যা উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে।

ফাযাঈলে আমাল এর এই ঘাটতির জন্য মুন্তাখাব হাদীস নামে একটি বই লিখেছেন আল্লামা ইউসুফ রাহ.। এটিও মাসযিদে তালীম হয়। আর উপমহাদেশের বাইরে তালীমের জন্য তাবলীগের আলীমরাই “রিয়াদ্বুস সালেহীন” বইটি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যা আল্লামা নবভী রাহ. লিখিত এবং ৯৯% হাদীসই সিহাহ সিত্তাহ থেকে নেয়া। এই বইটি সবাই নিশ্চিন্তে পড়তে পারেন, যদি ফাযাঈলে আমাল পড়তে না চান, আর মাসযিদে এটারও তালীম হতে পারে।

সুতরাং ড. জাকির নায়েক যে বলেছেন তিনি তাবলীগের বিভিন্ন আমালের দলীল খুজে পাননি সেটা মিথ্যা না হলেও অন্ততপক্ষে ভুল।

ড. নায়েক স্যার একটি কথা বলেছেন ভিডিওতে- “তিনি তাবলীগের চিল্লা, বা অন্য আমালের দলীল খুজে পাননি”, নভোচারী ভাই তার কমেন্টে বলেছেন- “তিনি নায়েক স্যারের টি.ভি.- সেমিনারে ইসলাম প্রচারের দলীল খুজে পাননি”, সত্যি কথা বলতে, আমিও পাইনি। তার এটা যেমন একটি ব্যক্তিগত চিন্তাদ্বূত আমাল বা দাওয়াত, তাবলীগের চিল্লা বা অন্য কিছুও তেমন এবং এগুলোর পক্ষে কুরআন- হাদীসের অনেক নির্ভরযোগ্য ও সহীহ দলীল আমি দিয়েছি উপরে। বুখারী শরীফ থেকেই দিয়েছি, মানা- না মানা মানুষের ব্যাপার।

আমার লেখায় কোন স্থানেই আমি ড. নায়েককে আক্রমন বা অসম্মান করিনি, আশা করি এটা সবাই বুঝতে পারবেন।

আর আমি তাবলীগ সহ সকল ধরনের হক দাওয়াতের পন্থাকে সমর্থন করি, যেমনটি উপরে বলেছি “ মুসলমানদের বর্তমান এই অধঃপতনের যুগে যে কেউ যেকোনভাবে দাওয়াত দিলেই তা সাদরে গ্রহণযোগ্য . . .”। তবে আমি নির্দিষ্ট কোন কিচুর সাথে জড়িত না, এমনিক তাবলীগের সাথেও না। জীবনে একবার মাত্র ৩ দিনে গিয়েছি, আর মহল্লায় ৫ কাজও করি না। সুতরাং দলবাজী বা সাফাই গাওয়ার অভিযোগ ঠিক হবে না।

 

আল্লাহ পাক সবাইকে বোঝার ও আমাল করার তৌফিক দান করুন, আমীন।

http://www.somewhereinblog.net/blog/monjurrocks/29441115

Advertisements

13 thoughts on “ড. জাকির নায়েক ও তাবলীগ জামাআত

  1. Mohammad Huq says:

    haire,tihattur katarer ek katar.ek dol beheste jaabe baki bahattur dojokhe jaabe.jara tablig kore na jemon saudite eita nishidhdho,tara kon katare ase?

  2. Tareque says:

    ভাইজান আসসালামু আলাইকুম… যা লিখেসেন আলহামদুলিল্লাহ… আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুন… তবে একটা আবেদন থাকলো আপনার প্রতি একদিন পারলে ড.যাকির নায়েকের সামনে আসবেন.. তারপর হবে কে হক আর কে বাতিল.. আল্লাহ আমাদের সবাইকে সথিক পথ দেখান আমিন.

    • mohsinuddin says:

      bhai tareque dokher bisoy apni zakir naek shaheber amon andho bhokto bone gelen ki bhabe ? she to fotpate medicine bikretar moto jar kono shikhha nai athocho tar medicine dara sob rog bhalo hoye jae bole dabi kore
      jara alim tara bojhen zakir shaheb ki ki bhol boltesen

  3. Tareque says:

    ৭৩ দলের ভিতর ১টি দল জান্নাতি ।আর এ দলের দাবিদার চরমনাই, দেওবন্দ, ব্রেলভি, তাবলিগ জামাত, কাদায়ানি, আহলে হাদিস, সালাফি, লা-মাযহাবি,ফুরফুরা,আত্রশ্মি,দেওয়ানবাগি …… আমার প্রশ্ন হলো আমি কোন দলে যোগ দিব … ভাই সঠিক পথ দেখান…

    • আর যেন তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল হয়, যারা কল্যাণের প্রতি আহবান করবে, ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম। (সূরা আলে ইমরান: ১০৪)

  4. rifat says:

    ভাই তাবলীগ আলাদা কোন দল না ।এটা ইসলামের একটা কাজ ।প্রতিটা মুসলমান এর এই কাজ করা উচিত্‍ ।তাই ৭৩ টা কাতারের মধ্যে তাবলীগকে যদি আলাদা একটা কাতার ধরে নেন তবে সেটা হবে ভূল ।এই জিনিসটা আমাদের সবার খেয়াল রাখতে হবে ।

  5. dinidawah says:

    তাবলীগ জামাতের কাজ কে ভুল প্রমান করে কি আশলে কোন লাভ আছে? মানুষ এম্নিতেই দ্বীন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
    যা এক্তু চেষ্টা এই তাবলীগ ওয়ালাদের মধ্যে দেখি।
    আর বাকি যারা নিজেদের দাওয়াতের কাজ করি বলে দাবি করে তারা দাওয়াতের চেয়েও অন্নকে ভুল প্রমান করে নিজেকে হক্ব দাবি করতেই বেশি ব্যাস্ত।

  6. Ahbab Rahman says:

    ABOUT TABLIG JAMAT
    BISMILLAHIR RAHMANIR RAHIM
    Assalaamu `alaykum waRahmatullahi Wabarakatuh
    Allah Ta’ala says in the Quran;
    “Say (O’ Muhammad Sallallahu Alayhiwa Sallam) this is my way; I invite to Allah
    Ta’ala, I and whomsoever follows me”. (12:108)
    It was the sacred duty of all the Ambiya (Alayhim As-Salatuwa Salam) to invite towards
    Allah Ta’ala and His commandments. Nabi (Sallallahu Alayhiwa Sallam) was the final Rasul
    sent by Allah Ta’ala. Allah Ta’ala says;
    “We have sent you (O’ Muhammad Sallallahu Alayhiwa Sallam) as a mercy to the
    Alamin (Mankind, Gin and all that exists)”. (21:104)
    Nabi (Sallallahu Alayhiwa Sallam) was a mercy to mankind He invited people towards Allah
    Ta’ala and His commandments and practically demonstrated to them how to discharge the
    laws of Allah Ta’ala. Similarly, the Sahaba, Tabien and all those who came after them
    followed Nabi (Sallallahu Alayhiwa Sallam) in inviting towards Allah Ta’ala and the Sunnah
    lifestyle of Nabi (Sallallahu Alayhiwa Sallam).
    In our times the jamat-tablig is continuing this and conveying the message of the Quran
    and sunnahs of Nabi (Sallallahu Alayhiwa Sallam) in the entire universe. It is compulsory
    upon every Muslim to convey the message of the Quran in any Shariah compliant way and
    not specifically in the way of the jamat-tablig.
    The name “jamat-tablig” is not the name of this work and it is wrong to assume that this is
    a separate sect in islam.
    The initiator of tablig in this specific form Moulana Muhammad Ilyas (Ramatullahi Alayhi)
    [d.1944] is reported to have said; “If I had to give this work/movement a name I would
    have given it the name “The reviver of iman”. Ml. Muhammad Ilyas (Ramatullahi Alayhi)
    expressing his concern for the Ummat and the objectives of this work states;
    · The example of Deen and Iman is liken to a rose plant [deen] whose stems, leaves
    and flowers have all died and has lost its value. However, when effort was made on its
    roots [iman] it again blossomed and was admired by all.
    · The object of this work is to create zeal & thirst in the hearts of those who have no
    zeal & thirst for Deen and its practices. When this is created in them they will rush to the
    fountains of knowledge i.e. (to the Ulama, Madrasas and Khankas) to quench their thirst.
    · The actual aim of this work is to teach the Ummat everything with which Nabi
    (Sallallahu Alayhiwa Sallam) came with i.e. to get the Ummat attached a complete system
    of thought and practice of Islam.
    · Zikr and Dua are the wheels of this work.
    (Words and Reflections of Ml. Muhammad Ilyas)
    The work schedule of the jamat is as follows;
    1. To go around meeting the Muslims for the upliftment of deen.
    2. Acquiring deeni knowledge and devolving a constant habit of Zikrullah.
    3. Correction of intention and working towards the devolvement of Ikhlas and
    exercising ihtisab i.e. a concerted effort of keeping oneself under surveillance for purity.
    The doings of the jamat are known to be Shariah compliant and the infinite good that has
    stemmed from its practices are universal. Millions of people globally have benefitted and
    are benefiting from its efforts. Its effort has rekindled the light of Iman in the hearts
    of the masses not only among the Muslims but has changed the life of ample disbelievers
    as well.
    The obligation on every Muslim is to learn the regulations of his Deen in order to practice
    and propagate. Therefore, it is highly recommended that one joins this work for one’s own
    benefit and for the benefit of humanity. At the same time it is equally important to join
    any other institute of Deen in which there is “true benefit” for one’s self reformation and
    Iman.
    Over and above all that was said, the work of dawat is and should be a means of selfreformation
    in fulfilling the rights of Allah Ta’ala and His servants.
    Graham E. Fuller, a former CIA official and an expert on Islam, (author of The Future
    of Political Islam) characterized Tablighi Jamaat as a “peaceful and apolitical
    preaching-to-the-people movement.”
    Barbara Metcalf, a University of California scholar of South Asian Islam, called
    Tablighi Jamaat “an apolitical, quietist movement of internal grassroots missionary
    renewal” and compared its activities to the efforts to reshape individual lives by
    Alcoholics Anonymous.
    Cllr Alan Craig, the Christian Choice candidate for Mayor of London complained after
    his Party Election Broadcast was censored by both the BBC and ITV. The broadcast
    initially referred to Tablighi Jamaat as “a separatist Islamic group”, but the word
    separatist had to be replaced by “controversial” on the BBC and was removed entirely
    for broadcast on ITV. (Wikipedia)
    And Allah knows best
    Wassalam
    Prepared by: Ml. Safraz Mohammed,
    Student Darul Iftaa
    Checked and Approved by:
    Mufti Ebrahim Desai
    Darul Iftaa, Madrassah In’aamiyyah

  7. Md. Amin says:

    তবলিগ জামাত ১০০% হক। বর্তমান বিশ্বের মুসলমানদের ঈমানী আন্দোলন তথা ঈমানের পরিপূর্ণতা, ঈমানের নবায়ন সহ ইসলামের মধ্যে দাখিলের এক অন্যতম মাধ্যম বা রাস্তা হল এই তাবলিগ জামাত। তালিগ জামাতের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা ততক্ষণ পর্যন্ত বুঝে আসবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না সে নিজে আগে তাবলিগে না যায়। তাবলিগে গেলেই এর প্রকৃত বুঝ বোঝা যায়। জীবনে কোন দিন তাবলিগে গেলাম না আর শুধু মুখে কিছু দোষ ত্রুটি শুনলাম তাতেই দোষারুপ করতে লাগলাম সেটা সমীচিন নয়। তাই সকলকেই তাবলিগে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন। আমীণ।

  8. Md. Kamruzzaman says:

    যারা তাবলীগের বিপক্ষে যুক্তি ধার করায়। তাদের যুক্তি তেমন শক্তিশালী নয়। যে ভূলগুলো তারা বলে সেগুলো হলো, ফাযায়েলে আ’মাল ও ফাযায়েলে সাদাকাত-এর যয়ীফ হাদিস ইত্যাদি। তাদের উদ্দেশ্যে বলি এগুলো ব্যতিরেকেও তাবলীগ করা যাবে। মুন্তাখাব হাদীস ও রিয়াযুস সালেহীন ইত্যাদি সহীহ্ হাদিসের কিতাব দিয়ে চলুন তাবলীগ করি।

  9. Shibli says:

    চল্লিশ দিনের দলিল টা তো সুন্দর।কিন্তু কোরআন,হাদিস রাসুল(সাঃ) ও তা সাহাবারা কিভাবে বুজেছে তাও দেখতে হবে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s