কুরআন তেলাওয়াতের ফযিলত

কুরআন তেলাওয়াতের ফযিলত

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
১। আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনছেি য,ে ‘‘তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ করো। কনেনা, কযি়ামতরে দনি কুরআন, তার পাঠকরে জন্য সুপারশিকারী হসিাবে আগমন করব’ে’।  (মুসলমি ৮০৪)

২। নাওয়াস ইবনে সামআন (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনছেি য,ে ‘‘কুরআন ও ইহজগতে তার উপর আমলকারীদরেকে (বচিাররে দনি মহান আল্লাহর সামন)ে পশে করা হব।ে সূরা বাক্কারাহ ও সূরা আলে ইমরান তার আগে আগে থাকবে এবং তাদরে পাঠকারীদরে সপক্ষে (প্রভুর সঙ্গ)ে বাদানুবাদে লপ্তি হব।ে (মুসলমি ৮০৫)

৩। উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) থকেে র্বণতি,  তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘তোমাদরে মধ্যে র্সবশ্রষ্ঠে ব্যক্তি সইে; যে নজিে কুরআন শখেে ও অপরকে শক্ষিা দযে়’’। (বুখারী ৫০২৭)

৪। আয়শো (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘কুরআনরে (শুদ্ধভাবে পাঠকারী ও পানরি মত হফিযকারী পাকা) হাফযে মহাসস্মমানতি পুণ্যবান লপিকিার (ফরিশিতার্বগরে) সঙ্গী হব।ে আর যে ব্যক্তি (পাকা হফিয না থাকার কারন)ে কুরআন পাঠে ‘ওঁ-ওঁ’ করে এবং পড়তে কষ্টবোধ কর,ে তার জন্য রয়ছেে দুটি সওয়াব।” (একটি তলোয়ত ও দ্বতিীয়টি কষ্টরে দরণ)। (বুখারী ৪৯৩৭, মুসলমি ৭৯৮)

৫। আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘কুরআন পাঠকারী মুমনিরে হচ্ছে ঠকি কমলা লবেুর মত; যার ঘ্রাণ উওম এবং স্বাদও উওম।আর যে মুমনি কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠকি খজেুররে মত; যার (উওম) ঘ্রাণ তো নইে, তবে স্বাদ মষ্টি। (অন্যদকি)ে কুরআন পাঠকারী মুনাফকিরে দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধমিয় (তুলস)ি গাছরে মত; যার ঘ্রাণ উওম কন্তি স্বাদ তক্তি। আর যে মুনাফকি কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠকি মাকাল ফলরে মত; যার (উওম) ঘ্রাণ নইে, স্বাদও তক্তি।’’ (বুখারী ৫০২০, মুসলমি ৭৯৭)

৬। উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘ মহান আল্লাহ এই গ্রন্থ (কুরআন মাজীদ) দ্বারা (তার উপর আমলকারী) জনগোষ্ঠীর উত্থান ঘটান এবং এরই দ্বারা (এর অবাধ্য) অন্য গোষ্ঠীর পতন সাধন করনে’’। (মুসলমি ৮১৭)

৭। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) র্কতক র্বণতি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘দুজনরে ক্ষত্রেে ঈষা করা সদ্ধি। (১) যাকে আল্লাহ কুরআন (মুখস্ত করার শক্ত)ি দান করছেনে, সুতরাং সে ওর (আলোক)ে দবিা-রাত্রি পড়ে ও আমল কর।ে (২) যাকে আল্লাহ তাআলা মালধন দান করছেনে এবং সে (আল্লাহর পথে ) দনি-রাত ব্যয় কর’ে’। (বুখারী ৫০২৫)

৮। বারা’ইবনে আযবে (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, ‘‘ একদা একটি লোক সূরা কাহাফ পাঠ করছলি। তার পাশইে দু’টো রশি দযি়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছলি। ইতোমধ্যা লোকটকিে একটি মঘেে ঢকেে নলি। মঘেটি লোকটরি নকিটর্বতী হতে থাকলে ঘোড়াটি তা দখেে চমকাতে আরম্ভ করল। অতঃপর যখন সকাল হল তখন লোকটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর দরবারে হাজরি হয়ে উক্ত ঘটনা র্বণনা করল। তা (শুন)ে তনিি বললনে, ‘‘ওটি প্রশান্তি ছলি, যা তোমার কুরআন পড়ার দরণ অবর্তীণ হয়ছে।ে’’ (বুখারী ৫০১১, মুসলমি ৭৯৫)

৯। আব্দল্লাহ ইবনে মাসাউদ (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কতিাব ( কুরআন মাজীদ) এর একটি র্বন পাঠ করবে ,তার একটি নকেী হব।ে আর একটি নকেি দশটি নকেীর সমান হয়। আমি বলছি না য,ে ‘আলফি-লাম-মীম’ একটি র্বন; বরং আলফি একটি র্বন, লাম একটি র্বন, মীম একটি র্বন।’’ (র্অথাৎ, তনিটি র্বন দ্বারা গঠতি ‘আলফি-লাম-মীম’, যার নকেীর সংখ্যা হবে তরিশি।) (তরিমযিী ২৯১০, হাসান)

১০। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাঃ) র্কতক র্বণতি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘পবত্রি কুরআন পাঠক, হাফযে ও তার উপর আমলকারীকে ( কযি়ামতরে দনি) বলা হব,ে ‘তুমি কুরআন কারীম পড়তে থাকো ও চড়তে থাকো। আর ঠকি সইেভাবে স্পষ্ট ও ধীরে ধীরে পড়তে থাকো, যভোবে দুনযি়াতে পড়ত।ে কনেনা , (জান্নাতরে ভতির) তোমার স্থান ঠকি সখোনে হব,ে যখোনে তোমার শষে আয়াতটি খতম হব।ে” ( আবূ দাউদ ১৮৬৮, তরিমীযি ২৯১৪ হাসান)

কুরআন মাজীদ সযত্নে নযি়মতি পড়া ও তা ভুলে যাওয়া থকেে সর্তক থাকার নর্দিশে
১। আবূ মুসা আশারী (রাঃ) হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘এই কুরআনরে প্রতি যত্ন নাও। (র্অথাৎ, নযি়মতি পড়তে থাকো ও তার র্চচা রাখো।) সইে মহান সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মাদরে (সাঃ) জীবন আছ,ে উট যমেন তার রশি থকেে অর্তকতিে বরে হয়ে যায়, তার চযে়ে অধকি অর্তকতিে কুরআন (স্মৃতি থকে)ে বরে হয়ে (বস্মিৃতি হয়)ে যায়।” (র্অথাৎ, অতি শীঘ্র ভুলে যাবার সম্ভাবনা থাক।ে)( মুসলমি ৭৯১)

২। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, “কুরআন-ওয়ালা হল বাঁধা উট-ওয়ালার মত। সে যদি তা বাঁধার পর তার যথারীতি দখোশুনা কর,ে তাহলে বাঁধাই থাকব।ে নচৎে ঢলি দলিইে উট পালযি়ে যাব।ে” (সহীহুল বুখারি ৫০৩১)

সুললতি কণ্ঠে কুরআন পড়া মুস্তাহাব। মধুরকণ্ঠ ক্বারীকে তা পড়ার আবদেন করা ও তা মনোযোগ সহকারে শোনা
১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনছেি য,ে “মহান আল্লাহ এভাবে উৎর্কন হয়ে কোন কথা শুননে না, যভোবে সইে মধুরকণ্ঠী পয়গাম্বাররে প্রতি উৎর্কন হয়ে শুননে, যনিি মধুর কণ্ঠে উচ্চ স্বরে কুরআন মাজীদ পড়তনে।” (সহীহুল বুখারি ৭৫৪৪)

আল্লাহর উৎর্কন হয়ে শুনার মধ্যে এ কথার ইঈতি রয়ছেে য,ে তনিি সইে তলোঅতে সন্তুষ্ট হন এবং তা কবুল করনে।

২। আবূ মুসা আশারী (রাঃ) হতে র্বণতি, একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বললনে, ‘‘ তোমাদরে দাউদরে সুললতি কণ্ঠরে মত মধুর কণ্ঠ দান করা হয়ছে।ে” (সহীহুল বুখারী ৫০৪৮)। মুসলমিরে এক র্বণনায় আছে য,ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বললনে,  “যদি তুমি আমাকে গত রাতে তোমার তলোওয়াত শোনা অবস্থায় দখেতে (তাহলে তুমি কতই না খুশী হত)ে!”

৩। বারা’ ইবনে আযব (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, ‘‘আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) –কে এশার নামাযে সূরা ‘অততীন অযযাইতুন’ পড়তে শুনছে।ি বস্তুতঃ আমি তার চযে়ে মধুর কণ্ঠ আর কারো শুননি।ি” (সহীহুল বুখারী ৭৬৭, মুসলমি ৪৬৪)

৪। আবূ লুবাবাহ বাশীর ইবনে আব্দুল মুনযরি (রাঃ) হতে র্বণতি, একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বললনে, ‘‘যে ব্যক্তি মষ্টি স্বরে কুরআন পড়ে না, সে আমাদরে মধ্যে নয়।” (র্অথাৎ আমাদরে তরীকা ও নীত-িআর্দশ বহভিূত)। (আবূ দাউদ ১৪৭১, উওম সূএ)ে

৫। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসাউদ (রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘ (হে ইবনে মাসাউদ) আমাকে কুরআন পড়ে শুনাও।” আমি বললাম ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে পড়ে শুনাব, অথচ আপনার উপরে তা অবর্তীণ করা হয়ছে?ে তনিি বললনে, “অপররে মুখ থকেে (কুরাআন পড়া) শুনতে আমি ভালবাস”ি। সুতরাং তার সামনে আমি সূরা নসিা পড়তে লাগলাম, পড়তে পড়তে যখন এই (৪১নং) আয়াতে পৌছালাম…

شَهيدًا هٰؤُلاءِ عَلى بِكَ وَجِئن بِشَهيدٍ  أُمَّةٍ كُل مِن  جِئنا إِذا فَكَيفَ

যার র্অথ, “তখন তাদরে কি আবস্থা হব,ে যখন প্রত্যকে সম্প্রদায় থকেে একজন সাক্ষী উপস্থতি করব এবং তোমাকওে তাদরে সাক্ষী রূপে উপস্থতি করব?” তখন তনিি বললনে “যথষ্টে, এখন থাম”। অতঃপর আমি তার দকিে ফরিে দখে,িতার নয়ন যুগল অশ্রু ঝরাচ্ছ।ে (সহীহুল বুখারী ৪৪৭৪)

কুরআন পঠন-পাঠনরে জন্য সমবতে হওয়া মুস্তাহাব
আবূ হুরাইরা(রাঃ) হতে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলছেনে, ‘‘যখনই কোন সম্প্রদায় আল্লাহর ঘরসমুহরে মধ্যে কোন এক ঘরে একত্রতি হয়ে আল্লাহর গ্রন্থ (কুরআন)পাঠ কর,ে তা নযি়ে পরস্পররে মধ্যে অধ্যয়ন কর,ে তাহলে তাদরে প্রতি (আল্লাহর পক্ষ থকে)ে প্রশান্তি অবর্তীণ হয় এবং তাদরেকে তাঁর রহমত ঢকেে নযে়, আর ফরেশেতার্বগ তাদরেকে ঘরিে ফলেনে। আল্লাহ স্বীয়ং তাঁর নকিট ফরেশেতামণ্ডলীর কাছে তাদরে কথা আলচনা করনে।’’ (মুসলমি ২৬৯৯)

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s