ইলমের ফযিলত ও মর্যাদা

ইলমের ফযিলত ও মর্যাদা

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
[প্রযি় পাঠক, এটি লখেকরে ইলম অন্বষেণ সর্ম্পকে ধারাবাহকি আলোচনার প্রথম কস্তি।ি ইলম হাসলিরে র্মযাদা ও উদ্দশ্যে এবং ইলম র্অজনরে নীতমিালা, অন্তরায় ও ভুল-ভ্রান্তসিমূহ ইত্যাকার নানা বষিয়ে আমরা কয়কে কস্তিতিে সুনর্দিষ্টি আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।]
আমাদরে এই মহান র্ধমে ইলমকে অনকে র্মযাদা দযে়া হয়ছে।ে ইলমরে ধারক-বাহকরা নবী-রাসূলদরে উত্তরাধকিারী। আর আবদে ও আলমেরে র্মযাদার ফারাক আসমান ও যমীনরে মতো। কায়স ইবন কাছীর থকেে র্বণতি, তনিি বলনে,
قَدِمَ رَجُلٌ مِنَ الْمَدِينَةِ عَلَى أَبِي الدَّرْدَاءِ ، وَهُوَ بِدِمَشْقَ فَقَالَ : مَا أَقْدَمَكَ يَا أَخِي ؟ فَقَالَ : حَدِيثٌ بَلَغَنِي أَنَّكَ تُحَدِّثُهُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَمَا جِئْتَ لِحَاجَةٍ ؟ قَالَ : لاَ ، قَالَ : أَمَا قَدِمْتَ لِتِجَارَةٍ ؟ قَالَ : لاَ ، قَالَ : مَا جِئْتُ إِلاَّ فِي طَلَبِ هَذَا الحَدِيثِ ؟ قَالَ : فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَبْتَغِي فِيهِ عِلْمًا سَلَكَ اللَّهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الجَنَّةِ ، وَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضَاءً لِطَالِبِ العِلْمِ ، وَإِنَّ العَالِمَ لَيَسْتَغْفِرُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِي الأَرْضِ حَتَّى الحِيتَانُ فِي الْمَاءِ ، وَفَضْلُ العَالِمِ عَلَى العَابِدِ ، كَفَضْلِ القَمَرِ عَلَى سَائِرِ الكَوَاكِبِ ، إِنَّ العُلَمَاءَ وَرَثَةُ الأَنْبِيَاءِ ، إِنَّ الأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلاَ دِرْهَمًا إِنَّمَا وَرَّثُوا العِلْمَ ، فَمَنْ أَخَذَ بِهِ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِرٍ.
মদীনা থকেে এক ব্যক্তি দামশেকে আবূ দারদা রাদআিল্লাহু আনহুর কাছে এলো। তনিি জজ্ঞিসে করলনে, হে ভাই, কোন জনিসি এখানে তোমার আগমন ঘটযি়ছে?ে
তনিি বললনে : একটি হাদীস এখানে আমাকে এনছে,ে যা আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থকেে র্বণনা করছেনে বলে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছছে।ে
তনিি জানতে চাইলনে : তুমি কি অন্য কোনো প্রয়োজনে আসো নি ?! তনিি বললনে, না।
জানতে চাইলনে : তুমি কি বাণজ্যিরে জন্যে আসো ন?ি! উত্তর দলিনে, জী না।
তনিি জানালনে, আমি কবেল এ হাদীস শখিতইে আপনার কাছে এসছে।ি
তনিি বললনে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনছে,ি তনিি বলনে, ‘যে ব্যক্তি ইলম হাসলিরে উদ্দশ্যেে কোনো পথ অবলম্বন করে আল্লাহ তার জান্নাতরে পথ সহজ করে দনে। আর তালবিুল ইলমকে খুশি করতে ফরেশেতারা তাঁদরে ডানা বছিযি়ে দনে। আলমেরে জন্য আসমান ও যমীনরে সবাই মাগফরিাত কামনা করতে থাক।ে এমনকি পানরি মাছগুলো র্পযন্ত। আর আবদেরে ওপর আলমেরে শ্রষ্ঠেত্ব সকল তারকার ওপর চাঁদরে শ্রষ্ঠেত্বরে মতো। নশ্চিয় আলমেগণ নবীদরে উত্তরাধকিারী। তবে নবীগণ দনিার বা দরিহামরে উত্তরাধকিারী বানান না। তাঁরা কবেল ইলমরে ওয়ারশি বানান। অতএব যে তা গ্রহণ করে সে র্পূণ অংশই পায়।’ [তরিমযিী : ২৬৮২]
আর আলমেগণ হলনে বান্দাদরে জন্য আল্লাহর বশিষে রক্ষী। কারণ তাঁরা শরীয়তকে ভ্রান্তপন্থীদরে বকিৃতি ও অজ্ঞদরে অপব্যাখ্যা থকেে রক্ষা করনে। আলমেদরে জন্য এ এক বশিাল র্মযাদার ব্যাপার। দীনরে ব্যাপারে তাঁদরে কাছইে ছুটে যতেে হয়। হতে হয় তাঁদরেই শরণাপন্ন। কনেনা আল্লাহ তা‘আলা অজ্ঞদরে জন্য আবশ্যক করে দযি়ছেনে তাঁদরে কাছে গযি়ে জজ্ঞিসে করা। তনিি ইরশাদ করনে,
﴿ فَسۡ‍َٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٤٣ ﴾ [النحل: ٤٣]
‘সুতরাং জ্ঞানীদরে জজ্ঞিসে কর যদি তোমরা না জান’। {সূরা আন-নাহল, আয়াত : ৪৩} আর প্রকৃতপক্ষে তাঁরা মানুষরে চকিৎিসক। কনেনা দহেরে রোগরে চযে়ে আত্মার ব্যাধইি বশে।ি কারণ, র্মূখতা একটি রোগ আর এই রোগগুলোর ওষুধ হলো এই ইলম। যমেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলনে,
্র فَإِنَّمَا شِفَاءُ الْعِىِّ السُّؤَالُ গ্ধ.
‘নশ্চিয় অজ্ঞতার চকিৎিসা হলো জজ্ঞিাসা’। [আবূ দাঊদ : ৩৩৬]

প্রথম : ইলমরে র্মযাদা
১. ইলম অন্তরকে পরশিুদ্ধ করে :
সুফযি়ান ইবন উয়াইনা রহ.- কে ইলমরে ফযীলত সর্ম্পকে জজ্ঞিসে করা হলো। তনিি বললনে, তোমরা কি আল্লাহর এ বাণীর প্রতি লক্ষ্য করো ন?ি এতে তনিি ইলম হাসলিরে পর আমলরে কথা বলছেনে। ইরশাদ হয়ছেে :
﴿ فَٱعۡلَمۡ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ وَٱسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۢبِكَ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ مُتَقَلَّبَكُمۡ وَمَثۡوَىٰكُمۡ ١٩ ﴾ [محمد : ١٩]
‘অতএব জনেে রাখ, নঃিসন্দহেে আল্লাহ ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নইে। তুমি ক্ষমা চাও তোমার ও মুমনি নারীÑপুরুষদরে ত্রুট-িবচ্যিুতরি জন্য। আল্লাহ তোমাদরে গতবিধিি এবং নবিাস সর্ম্পকে অবগত রয়ছেনে। {সূরা মুহাম্মদ, আয়াত : ১৯}
এ আয়াতে আগে ইলম তথা জানার কথা বলা হয়ছে।ে তারপর বলা হয়ছেে আমলরে (ক্ষমা চাওয়ার) কথা। এই আয়াতকে সামনে রখেে ইমাম বুখারী রহ. তদীয় সহীহ গ্রন্থরে একটি অধ্যায় রচনা করছেনে এমন শরিোনামে এ অধ্যায় ‘বলা ও করার আগে শখো সর্ম্পক’ে। অতএব কথা ও র্কমরে আগে ইলম র্অজনরে অগ্রাধকিার। কারণ ইলম ছাড়া কোনো আমল শুদ্ধ হয় না। আর প্রথমইে শখিতে হবে তাওহীদ তথা আল্লাহর নরিঙ্কুশ একাত্ববাদরে ইলম। একে বলা হয় সুলুকরে ইলম। যাতে করে আল্লাহর পরচিয় লাভ হয়। আকীদা শুদ্ধ করা যায়। নজিকেে চনো যায় এবং কভিাবে নজিকেে বশিুদ্ধ ও পরশিুদ্ধ করা যায় তাও জানা যায়।

২. ইলম দৃষ্টরি আলো :

ইলম দৃষ্টরি আলো। যা দযি়ে মানুষ বস্তুর হাককিত ও বাস্তবতা অনুধাবন করতে পার।ে তবে এ কন্তিু চোখরে দৃষ্টি নয়; এ হলো অন্তররে দৃষ্ট।ি আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ أَفَلَمۡ يَسِيرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَتَكُونَ لَهُمۡ قُلُوبٞ يَعۡقِلُونَ بِهَآ أَوۡ ءَاذَانٞ يَسۡمَعُونَ بِهَاۖ فَإِنَّهَا لَا تَعۡمَى ٱلۡأَبۡصَٰرُ وَلَٰكِن تَعۡمَى ٱلۡقُلُوبُ ٱلَّتِي فِي ٱلصُّدُورِ ٤٦ ﴾ [الحج : ٤٦]
‘তারা কি যমীনে ভ্রমণ করে ন?ি তাহলে তাদরে হত এমন হৃদয় যা দ্বারা তারা উপলব্ধি করতে পারত এবং এমন কান যা দ্বারা তারা শুনতে পারত। বস্তুত চোখ তো অন্ধ হয় না, বরং অন্ধ হয় বক্ষস্থতি হৃদয়। {সূরা আল-হজ্ব, আয়াত : ৪৬}
এ জন্যই আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে দুই ভাগে বভিক্ত করছেনে : আলমে ও অন্ধ। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করনে,
﴿ ۞أَفَمَن يَعۡلَمُ أَنَّمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ ٱلۡحَقُّ كَمَنۡ هُوَ أَعۡمَىٰٓۚ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ١٩ ﴾ [الرعد: ١٩]
যে ব্যক্তি জানে তোমার রবরে পক্ষ থকেে তোমার প্রতি যা নাযলি হয়ছে,ে তা সত্য, সে কি তার মত, যে অন্ধ? বুদ্ধমিানরাই শুধু উপদশে গ্রহণ কর।ে {সূরা আর-রাদ, আয়াত : ১৯}

৩. ইলম মানুষরে অন্তরে আল্লাহ ভয় সৃষ্টি করে :

যমেন আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করনে,
﴿ إِنَّمَا يَخۡشَى ٱللَّهَ مِنۡ عِبَادِهِ ٱلۡعُلَمَٰٓؤُاْۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ ٢٨ ﴾ [فاطر: ٢٨]
বান্দাদরে মধ্যে কবেল জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় কর।ে নশ্চিয় আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল। {সূরা ফাতরি, আয়াত : ২৮}
আরকে আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ إِنَّ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ مِن قَبۡلِهِۦٓ إِذَا يُتۡلَىٰ عَلَيۡهِمۡ يَخِرُّونَۤ لِلۡأَذۡقَانِۤ سُجَّدٗاۤ ١٠٧ وَيَقُولُونَ سُبۡحَٰنَ رَبِّنَآ إِن كَانَ وَعۡدُ رَبِّنَا لَمَفۡعُولٗا ١٠٨ وَيَخِرُّونَ لِلۡأَذۡقَانِ يَبۡكُونَ وَيَزِيدُهُمۡ خُشُوعٗا۩ ١٠٩ ﴾ [الاسراء: ١٠٧،  ١٠٩]
‘নশ্চিয় এর র্পূবে যাদরেকে জ্ঞান দযে়া হয়ছে,ে তাদরে কাছে যখন এটা পাঠ করা হয় তখন তারা সজিদাবনত হয়ে লুটযি়ে পড়।ে আর তারা বল,ে ‘পবত্রি মহান আমাদরে রব ! আমাদরে রবরে ওয়াদা অবশ্যই র্কাযকর হয়ে থাক।ে আর তারা কাঁদতে কাঁদতে লুটযি়ে পড়ে এবং এটা তাদরে বনিয় বৃদ্ধি কর।ে {সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত : ১০৭-১০৯}

৪. ইলম বৃদ্ধরি জন্য দু‘আ করা :

আল্লাহ তা‘আলা আমাদরেকে ইলম বৃদ্ধরি জন্য র্প্রাথনা করতে বলছেনে। ইলমরে র্মযাদা হসিবেে এতটুকুই যথষ্টে। আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ وَقُل رَّبِّ زِدۡنِي عِلۡمٗا ١١٤ ﴾ [طه: ١١٤]
‘এবং তুমি বল, ‘হে আমার রব, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দনি।’ {সূরা ত্ব-হা, আয়াত : ১১৪} ইমাম কুরতুবী রহ. বলনে, যদি ইলম থকেে উত্তম কছিু থাকত তবে আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তা-ই বৃদ্ধরি র্প্রাথনা করতে বলতনে। যমেন তনিি এ আয়াতে ইলম বৃদ্ধরি জন্য র্প্রাথনা করতে বলছেনে।

৫. ইলম উত্তম জহিাদ :

জহিাদরে একটি প্রকার হলো প্রমাণ ও দলীলরে মাধ্যমে জহিাদ করা। এটইি নবীর উত্তরাধকিারী নতেৃবৃন্দরে জহিাদ। মুখ ও হাতরে জহিাদ থকেে এটি উত্তম। কারণ ইলম র্অজনে বশেি কষ্ট করতে হয় এবং এর শত্রুও বশে।ি আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ وَلَوۡ شِئۡنَا لَبَعَثۡنَا فِي كُلِّ قَرۡيَةٖ نَّذِيرٗا ٥١ فَلَا تُطِعِ ٱلۡكَٰفِرِينَ وَجَٰهِدۡهُم بِهِۦ جِهَادٗا كَبِيرٗا ٥٢ ﴾ [الفرقان: ٥١،  ٥٢]
‘আর আমি ইচ্ছা করলে প্রতটিি জনপদে একজন সর্তককারী পাঠাতাম। সুতরাং তুমি কাফরিদরে আনুগত্য করো না এবং তুমি কুরআনরে সাহায্যে তাদরে বরিুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম (জহিাদ) কর।’ {সূরা আল-ফুরকার, আয়াত : ৫১-৫২}
ইবনুল কায়্যমি রহ. বলনে,
“فهذا جهاد لهم بالقرآن ، وهو أكبر الجهادين ، وهو جهاد المنافقين أيضًا ، فإن المنافقين لم يكونوا يقاتلون المسلمين ، بل كانوا معهم في الظاهر ، وربما كانوا يقاتلون عدوهم معهم ، ومع هذا فقد قال تعالى : ” يا أيها النبي جاهد الكفار والمنافقين واغلظ عليهم ” ومعلوم أنَّ جهاد المنافقين بالحجة والقرآن . والمقصود أنَّ سبيل الله هي الجهاد وطلب العلم ، ودعوة الخلق به إلى الله .”
‘এটি ছলি তাদরে বরিুদ্ধে কুরআনরে সাহায্যে জহিাদ। জহিাদরে প্রকারদ্বয়রে মধ্যে এটইি বড়। একে মুনাফকিদরে বরিুদ্ধরে জহিাদও বলা হয়। কারণ মুনাফকিরা মুসলমিদরে বরিুদ্ধে লড়াই করত না। তারা বরং দৃশ্যত মুসলমিদরে সঙ্গইে থাকত। কখনো তারা মুসলমিরে সঙ্গে শত্রুদরে বরিুদ্ধে লড়াইয়ইে শরকি হত। এতদসত্ত্বওে আল্লাহ তা‘আলা বলছেনে,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ جَٰهِدِ ٱلۡكُفَّارَ وَٱلۡمُنَٰفِقِينَ وَٱغۡلُظۡ عَلَيۡهِمۡۚ وَمَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ ٩ ﴾ [التحريم: ٩]
‘হে নবী, কাফরি ও মুনাফকিদরে বরিুদ্ধে জহিাদ কর এবং তাদরে ব্যাপারে কঠোর হও; আর তাদরে আশ্রয়স্থল হবে জাহান্নাম এবং তা কত নকিৃষ্ট গন্তব্যস্থল ! {সূরা আত-তাহরীম, আয়াত : ০৯} আর বলাবাহুল্য, মুনাফকিদরে বরিুদ্ধে জহিাদ করা হয় কুরআন ও প্রমাণরে মাধ্যম।ে
উদ্দশ্যে হলো, জহিাদ, ইলম র্অজন এবং মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান- সবগুলোই সাবলিুল্লাহ বা আল্লাহর রাস্তা। [দখেুন, ইবনুল কায়্যমি, মফিতাহু দারসি সাআদা : ১/৭০]
আবূ হুরায়রা রাদআিল্লাহু আনহু থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে,
্রمَنْ جَاءَ مَسْجِدِي هَذَا ، لَمْ يَأْتِهِ إِلاَّ لِخَيْرٍ يَتَعَلَّمُهُ أَوْ يُعَلِّمُهُ ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللهِ ، وَمَنْ جَاءَ لِغَيْرِ ذَلِكَ ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الرَّجُلِ يَنْظُرُ إِلَى مَتَاعِ غَيْرِهِ. গ্ধ.
‘যে ব্যক্তি আমার এই মসজদিে কবেল কোনো কল্যাণ (ইলম) শখোর বা শখোবার অভপ্রিায়ে আসব,ে সে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহদিরে র্মযাদার অধকিারী। আর যে অন্য কোনো উদ্দশ্যে নযি়ে আসব,ে সে ওই ব্যক্তরি অনুরূপ যে অন্যরে সম্পদ পরর্দিশনে আস।ে [ইবন মাজা : ২২৭, সহীহ সনদে র্বণতি]

৬. ইলম প্রচারে প্রতযিোগতিা :

আল্লাহ তা‘আলা কবেল দু’টি বষিয়ে পরস্পর হংিসা (র্ইষা) পোষণ বধৈ রখেছেনে : সম্পদ ব্যয় এবং ইলম ব্যয়। এটি করা হয়ছেে এ দুই  জনিসিরে র্মযাদা হতেু। আর মানুষকে নানা ধরনরে কল্যাণ আহরণে পরস্পর প্রতযিোগতিায় অবর্তীণ হতে উদ্বুদ্ধ করা হয়ছে।ে যমেন আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদআিল্লাহু আনহু হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলনে,
্র لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ : رَجُلٌ أَعْطَاهُ اللَّهُ مَالاً فَسَلَّطَهُ عَلَى هَلَكَتِهِ فِي الْحَقِّ ، وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْحِكْمَةَ فَهُوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا গ্ধ .
‘কবেল দুই ব্যক্তকিে হংিসা করার অনুমতি রয়ছেে : ওই ব্যক্তকিে আল্লাহ যাকে সম্পদ দযি়ছেনে। অতপর তাকে সে সম্পদ হকরে পথে ব্যয় করতে ন্যস্ত করছেনে। আর ওই ব্যক্তি যাকে তনিি হকিমাহ বা ইলম দান করছেনে। ফলে সে তা দযি়ে বচিার করে এবং তার শক্ষিা দযে়।’ [বুখারী : ৭৩]

৭. ইলম ও দীন সর্ম্পকে পাণ্ডত্যি আল্লাহর মহাদান :

আল্লাহ যাকে দীন সর্ম্পকে গভীর জ্ঞান দান করনে তনিইি প্রকৃত তাওফীকপ্রাপ্ত। কনেনা দীনী বষিয়ে প্রাজ্ঞতা ও পাণ্ডত্যি  আল্লাহর এক মহাদান। মু‘আবযি়া ইবন সুফযি়ান রাদআিল্লাহু আনহুমা থকেে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলনে,
্র مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِى الدِّينِ গ্ধ.
‘আল্লাহ যার কল্যাণ চান তনিি তাকে দীন বষিয়ে গভীর ইলম দান করনে।’ [বুখারী : ৭৩১২; মুসলমি : ২৪৩৯]

৮. ইবাদতরে চযে়ে ইলমরে র্মযাদা বশেি :

ইবাদতরে চযে়ে ইলমরে গুরুত্ব বশে।ি কারণ, ইলমরে র্মযাদার হতেুগুলো একটি হলো তা ইবাদতরে প্রতি ধাবতি কর।ে আর যে ইলম হাসলিে পথ অতক্রিম করে তার জন্য জান্নাতরে পথ সহজ হয়ে যায়। মা আয়শো রাদআিল্লাহু আনহা থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করনে,
্র إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ: أَوْحَى إِلَيَّ أَنَّهُ مَنْ سَلَكَ مَسْلَكًا فِي طَلَبِ الْعِلْمِ: سَهَّلْتُ لَهُ طَرِيقَ الْجَنَّةِ، وَمَنْ سَلَبْتُ كَرِيمَتَيْهِ: أَثَبْتُهُ عَلَيْهِمَا الْجَنَّةَ، وَقَصْدٌ فِي عِلْمٍ خَيْرٌ مِنْ فَضْلٍ فِي عِبَادَةٍ، وَمِلَاكُ الدِّينِ الْوَرَعُ গ্ধ.
‘আল্লাহ আমার প্রতি ওহী করছেনে, যে ব্যক্তি ইলম র্অজনে কোনো রাস্তা অবলম্বন কর,ে আমি তার জান্নাতরে রাস্তা সহজ করে দইে। আর আমি যার দুই প্রযি়তমকে (চক্ষুদ্বয়) কডে়ে নইে, এর বনিমিয়ে আমি তাকে জান্নাত দান কর।ি কল্যাণরে ইলম আহরণে আধক্যি ইবাদতওে আধক্যিরে হতেু। দীনরে সরো বষিয় হলো আল্লাহর ভয়।’ [বাইহাকী, শু‘আবুল ঈমান : ৫৩৬৭, সহীহ সনদে র্বণতি]

দ্বতিীয় : আলমেরে র্মযাদা
১. আলমেরাই বশ্বিস্ত :
পবত্রি কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করনে,
﴿ شَهِدَ ٱللَّهُ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَأُوْلُواْ ٱلۡعِلۡمِ قَآئِمَۢا بِٱلۡقِسۡطِۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ ١٨ ﴾ [ال عمران: ١٨]
‘আল্লাহ সাক্ষ্য দনে য,ে তনিি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নইে, আর ফরেশেতা ও জ্ঞানীগণও। তনিি ন্যায় দ্বারা প্রতষ্ঠিতি। তনিি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নইে। তনিি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’। {সূরা আল-েইমরান, আয়াত : ১৮}
এ থকেে জানা গলে, আলমেরা হলনে বশ্বিস্ত ও নর্ভিরযোগ্য। যাদরেকে আল্লাহ তা‘আলা সবচে বড় সমাবশেে (হাশররে মাঠ)ে সাক্ষ্য বানাবনে।

২. আলমেদরে প্রশংসায় আল্লাহ :

আল্লাহ তা‘আলা আহলে ইলম তথা আলমেদরে প্রশংসা ও গুণ গযে়ছেনে। তাঁর কতিাবকে তনিি তাঁদরে বক্ষে সুস্পষ্ট নর্দিশন হসিবেে স্থান দযি়ছেনে। এর মাধ্যমে অন্তর পুলকতি হয়, আমোদতি ও সৌভাগ্যমণ্ডতি হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ بَلۡ هُوَ ءَايَٰتُۢ بَيِّنَٰتٞ فِي صُدُورِ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَۚ وَمَا يَجۡحَدُ بِ‍َٔايَٰتِنَآ إِلَّا ٱلظَّٰلِمُونَ ٤٩ ﴾ [العنكبوت: ٤٩]
‘বরং যাদরেকে জ্ঞান দযে়া হয়ছে,ে তাদরে অন্তরে তা সুস্পষ্ট নর্দিশন। আর যালমিরা ছাড়া আমার আয়াতসমূহকে কউে অস্বীকার করে না’।  {সূরা আল-আ‘নকাবূত, আয়াত : ৪৯}

৩. আলমেরা নবীগণরে ওয়ারশি :

তাঁরাই হলনে ‘আহলে যকির’ আল্লাহ তা‘আলা অজ্ঞতায় যাদরে কাছে জজ্ঞিসে করতে বলছেনে। তনিি ইরশাদ করনে,
﴿ فَسۡ‍َٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٧ ﴾ [الانبياء: ٧]
‘সুতরাং তোমরা জ্ঞানীদরেকে জজ্ঞিাসা কর যদি তোমরা না জান’। {সূরা আল-আম্বযি়া, আয়াত : ০৭}

৪. ঈমান ও ইলমরে বাহকদরে র্মযাদা বৃদ্ধি :

পবত্রি কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করনে,
﴿ يَرۡفَعِ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مِنكُمۡ وَٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ دَرَجَٰتٖۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٞ ١١ ﴾ [المجادلة: ١١]
‘তোমাদরে মধ্যে যারা ঈমান এনছেে এবং যাদরেকে জ্ঞান দান করা হয়ছেে আল্লাহ তাদরেকে র্মযাদায় সমুন্নত করবনে’। {সূরা আল-মুজাদালাহ, আয়াত : ১১}

৫. মারা গলেওে আলমেরে আমল বন্ধ হয় না :

মানুষ বঁেচে থাকে এবং তারপর মারা যায়। মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তার আমলও বন্ধ হয়ে যায়। ব্যতক্রিম শুধু আলমেরা। যে আল্লাহওয়ালা আলমে উপকারী ইলম প্রচার করে মৃত্যুবরণ করনে, তনিি মারা গলেে পরর্বতী লোকরো তাঁর ইলম থকেে উপকৃত হয় আর তনিি নকেী পতেে থাকনে। ইখলাসরে সঙ্গে কাজ করলে তাই তাঁদরে নকেী বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। পরর্বতী নবিন্ধে ইনশাআল্লাহ এ ব্যাপারে আমরা বস্তিারতি আলোচনা করব। আবূ হুরায়রা রাদআিল্লাহু আনহু থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করনে,
্র إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةِ أَشْيَاءَ : مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ গ্ধ.
‘মানুষ যখন মারা যায়, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তনিটি উৎস থকেে তা অব্যাহত থাকে : সাদাকায়ে জারযি়া, উপকারী ইলম অথবা নকে সন্তান যে তার জন্য দু‘আ কর।’ [মুসলমি : ৪৩১০]

৬. আলমে ও তালবেে ইলমরে প্রতি আল্লাহর অবরিাম রহমত র্বষণ :

পৃথবিীর সব কছিুই ধ্বংসে নপিততি, সবই বলিয়রে পথে ধাবমান। সব কছিুর ওপরই লানতরে র্বষণ অব্যাহত রয়ছে।ে সব কছিুর মধ্যে কবেল মানুষরে দুইটি শ্রণেী ব্যতক্রিম যাদরে ওপর আল্লাহর রহমত র্বষতি হতে থাকে : ইলমসম্পন্ন ব্যক্তি ও ইলম অন্বষেণকারী এবং অধকি হারে আল্লাহর জকিরিকারী আবদে। যমেন আবূ হুরায়রা রাদআিল্লাহু আনহু হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলনে,
্র أَلا إنَّ الدُّنْيَا مَلْعُونَةٌ ، مَلْعُونٌ مَا فِيهَا ، إلا ذِكْرَ اللهِ تَعَالَى ، وَمَا وَالاهُ ، وَعالِماً وَمُتَعَلِّماً গ্ধ [১].
‘মনে রখে, নশ্চিয় দুনযি়া অভশিপ্ত। অভশিপ্ত এতে যা আছে তা-ও। শুধু আল্লাহ তা‘আলার জকিরি ও জকিরিরে প্রয়োজনীয় বষিয়গুলো এবং আলমে ও তালবেে এলমে ছাড়া।’ [তরিমযিী : ২৩২২; ইবন মাজা : ৪১০২]

৭. ইলমরে কারণে আমলকারীর প্রতদিান বাড়ে :

ইলমরে দ্বারা মুমনিরে প্রতদিান বড় হয়। তার নযি়ত হয় পরশিুদ্ধ। ফলে সে নজি আমল করতে পারে সুন্দর উপায়।ে মানুষ ইলমরে চযে়ে মালরে প্রতি বশেি আকৃষ্ট হয়। অথচ মালরে চযে়ে ইলমরে র্মযাদা অনকে বশে।ি এ ব্যাপারে শরীয়ত আমাদরেকে কয়কেটি শ্রণেীতে বভিক্ত করছে।ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে চার ভাগে বভিক্ত করছেনে। এদরে মধ্যে দুই দল হবে নাজাত বা মুক্তপ্রিাপ্ত। তারা হলনে যারা ইলম নযি়ে ব্যস্ত থাকনে। যমেন কাবশা আনমারী রাদআিল্লাহু আনহু থকেে র্বণতি, তনিি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুননে,
্র ثَلاَثَةٌ أُقْسِمُ عَلَيْهِنَّ وَأُحَدِّثُكُمْ حَدِيثًا فَاحْفَظُوهُ গ্ধ. قَالَ ্র مَا نَقَصَ مَالُ عَبْدٍ مِنْ صَدَقَةٍ وَلاَ ظُلِمَ عَبْدٌ مَظْلِمَةً فَصَبَرَ عَلَيْهَا إِلاَّ زَادَهُ اللَّهُ عِزًّا وَلاَ فَتَحَ عَبْدٌ بَابَ مَسْأَلَةٍ إِلاَّ فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ بَابَ فَقْرٍ أَوْ كَلِمَةً نَحْوَهَا وَأُحَدِّثُكُمْ حَدِيثًا فَاحْفَظُوهُ قَالَ ্র إِنَّمَا الدُّنْيَا لأَرْبَعَةِ نَفَرٍ عَبْدٍ رَزَقَهُ اللَّهُ مَالاً وَعِلْمًا فَهُوَ يَتَّقِى فِيهِ رَبَّهُ وَيَصِلُ فِيهِ رَحِمَهُ وَيَعْلَمُ لِلَّهِ فِيهِ حَقًّا فَهَذَا بِأَفْضَلِ الْمَنَازِلِ وَعَبْدٍ رَزَقَهُ اللَّهُ عِلْمًا وَلَمْ يَرْزُقْهُ مَالاً فَهُوَ صَادِقُ النِّيَّةِ يَقُولُ لَوْ أَنَّ لِى مَالاً لَعَمِلْتُ بِعَمَلِ فُلاَنٍ فَهُوَ بِنِيَّتِهِ فَأَجْرُهُمَا سَوَاءٌ وَعَبْدٍ رَزَقَهُ اللَّهُ مَالاً وَلَمْ يَرْزُقْهُ عِلْمًا فَهُوَ يَخْبِطُ فِى مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ لاَ يَتَّقِى فِيهِ رَبَّهُ وَلاَ يَصِلُ فِيهِ رَحِمَهُ وَلاَ يَعْلَمُ لِلَّهِ فِيهِ حَقًّا فَهَذَا بِأَخْبَثِ الْمَنَازِلِ وَعَبْدٍ لَمْ يَرْزُقْهُ اللَّهُ مَالاً وَلاَ عِلْمًا فَهُوَ يَقُولُ لَوْ أَنَّ لِى مَالاً لَعَمِلْتُ فِيهِ بِعَمَلِ فُلاَنٍ فَهُوَ بِنِيَّتِهِ فَوِزْرُهُمَا سَوَاءٌ গ্ধ.
‘তনি শ্রণেীর লোকদরে ব্যাপারে আমি কসম করছি এবং তোমাদরে কাছে একটি হাদীস বলছ,ি তোমরা তা সংরক্ষণ করো।’ তনিি বলনে, দান-সদকায় কারো সম্পদ কমে না, কোনো ব্যক্তরি প্রতি অত্যাচার করা হলে সে যদি তাতে ধর্যৈ ধরে তবে আল্লাহ তার সম্মান বৃদ্ধি করে দনে এবং কোনো বান্দা (মানুষরে কাছ)ে র্প্রাথনা বা চাওয়ার দরজা খুললে আল্লাহ তার জন্য অভাবরে দরজা উন্মুক্ত করে দনে।’ (র্বণনাকারী বলনে, এ কথা কংিবা) অনুরূপ বাক্য বলছেনে। আর আমি তোমাদরেকে একটি হাদীস বলব তোমরা তা স্মরণ রখে। তনিি বলনে, ‘দুনযি়া চার প্রকার লোকরে জন্য; (১) সইে বান্দার জন্য যাকে আল্লাহ মাল ও জ্ঞান দান করছেনে। ফলে সে এতে তার প্রভুকে ভয় করছে এবং তার আত্মীয়দরে সঙ্গে সর্ম্পক রাখছে আর তার ব্যাপারে আল্লাহর হক জানছ,ে এ হলো র্সবোত্তম র্মযাদায় অধষ্ঠিতি। (২) সইে বান্দা যাকে আল্লাহ জ্ঞান দান করছেনে কন্তিু মাল দনে ন।ি সে হলো সঠকি নযি়তরে লোক। সে বল,ে যদি আমার টাকা-পয়সা থাকতো তাহলে অমুক ব্যাক্তরি মত কাজ করতাম। সে তার নযি়ত অনুযায়ী সওয়াব পাব।ে এদরে দুজনরে নকেী হবে সমান। (৩) আর সইে বান্দা যাকে আল্লাহ টাকা-পয়সা দযি়ছেনে কন্তিু জ্ঞান দান করনে ন।ি সে না জনেইে তার টাকা-পয়সা খরচ করছ।ে এতে সে আল্লাহকে ভয় করে না, আত্মীয়তা রক্ষা করে না এবং এতে আল্লাহর হকও সে জানে না। সে হলো সবচে নকিৃষ্ট অবস্থান।ে (৪) আর সইে বান্দা যাকে আল্লাহ মালও দনে নি জ্ঞানও দনে ন,ি সে বলে আমার টাকা পয়সা থাকলে অমুকরে মতই (খারাপ কাজ) করতাম। সে তার নযি়ত অনুযায়ী প্রতদিান পাব।ে এরা দুজনই গুনাহর দকি থকেে সমান।’ [তরিমযিী : ২৪৯৫]
হাদীসটতিে আমরা দখেি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রকৃত ইলম বলছেনে ওই ইলমকে যা মানুষরে সামনে বস্তুর স্বরূপ উদ্ভাসতি কর।ে সুতরাং ধন-সম্পদরে অধকিারী ব্যক্তি যদি ইলমরে শোভায় অলংকৃত না হয় তবে সে সম্পদরে অপব্যবহার কর।ে দখো যায় সে তা ব্যয় করছে কুপ্রবৃত্তরি লালসা পূরণ।ে এ নযে়ামতরে শুকরযি়া আদায় করে না স।ে এ কারণইে তাকে সবচে নকিৃষ্ট স্তররে বলে গণ্য করা হয়ছে।ে (আল্লাহ আমাদরে এ থকেে রক্ষা করুন।) পক্ষান্তরে একজন আলমে প্রকৃত সম্পদরে মূল্য অনুধাবন করতে পারনে। তা কোথায় ব্যয় করা উচতি তা বুঝতে পারনে। ফলে তাঁর ইলমরে বদৌলতে তনিি মহৎ নযি়ত করতে পারনে। সম্পদ না থাকলে তার নযি়ত করওে পারনে র্সবোত্তম র্মযাদা র্অজন করত।ে

৮. আলমেরে ক্ষমা র্প্রাথনা :

ইলমওয়ালাদরে র্মযাদা ও শ্রষ্ঠেত্ব বুঝাতে এতটুকুই যথষ্টে যে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য সব কছিুইকে অনুগত করে দনে যাতে তারা তাঁর জন্য দু‘আ ও ক্ষমা র্প্রাথনা কর।ে যমেন: আনাস ইবন মালকে রাদআিল্লাহু আনহু থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করনে,
صَاحِبُ الْعِلْمِ يَسْتَغْفِرُ لَهُ كُلُّ شَيْءٍ حَتَّى الْحُوتُ فِي الْبَحْرِ .
‘ইলমরে অধকিারী ব্যক্তরি জন্য সব কছিুই মাগফরিাত বা ক্ষমা র্প্রাথনা কর।ে এমনকি সমুদ্ররে মাছ র্পযন্ত।’ [সহীহ মুসনাদ আবী ই‘আলা : ২/২৬০; সহীহ জাম‘ে সগীর : ৩৭৫৩ কানযুল উম্মাল : ২৮৭৩৭]

৯. তালবিুল ইলমদরে ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুপারশি করছেনে :

যমেন আবূ সাঈদ খুদরী রাদআিল্লাহু আনহু থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করনে,
্র سَيَأْتِيكُمْ أَقْوَامٌ يَطْلُبُونَ الْعِلْمَ ، فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمْ فَقُولُوا لَهُمْ : مَرْحَبًا مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ ، وَاقْنُوهُمْ গ্ধ.
‘অচরিে তোমাদরে সমীপে ইলম হাসলিরে উদ্দশ্যেে নানা দল আসব।ে তোমরা যখন তাদরে দখেব,ে বলব,ে স্বাগতম স্বাগতম হে ওই সম্প্রদায়,  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদরে ব্যাপারে সুপারশি করছেনে। অতপর তোমরা তাদরে ইলম শখোব।ে’ [ইবন মাজা : ২৪৭, ‘হাসান’ সূত্রে র্বণতি]

১০. আলমেদরে চহোরা উজ্জ্বল হওয়া এবং তাদরে সচ্ছলতা :

আহলে ইলম যারা  আল্লাহর দযে়া শরীয়তরে জ্ঞান পৌঁছে দনে মানুষরে কাছ।ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামরে দু‘আ মত তারা হলনে মানুষরে মধ্যে সবচে উজ্জ্বল চহোরাবশিষ্টি এবং তাদরে মধ্যে র্সবোচ্চ র্মযাদাবান। নবীজী  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলনে,
্র نَضَّرَ اللَّهُ امْرَءًا سَمِعَ مَقَالَتِي فَبَلَّغَهَا ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرِ فَقِيهٍ ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ গ্ধ.
‘আল্লাহ ওই ব্যক্তরি চহোরা উজ্জ্বল (কারো কারো ব্যাখ্যা মতে ওই ব্যক্তকিে সুখ-েস্বাচ্ছন্দ)ে রাখুন যে আমার কথা শোনে অত:পর তা (অপররে কাছ)ে পৌঁছে দযে়। কনেনা, ফকিহ বা ইলমরে অনকে বাহক আছে যে (আসল)ে ফকীহ বা আলমে (ইসলামী জ্ঞানে পণ্ডতি) নয়। আবার অনকে ফকিহ বা ইলমরে বাহক আছনে যনিি তা পৌঁছে দনে এমন ব্যক্তরি কাছে যে কি না তার চযে়ওে বড় ফকিহবদি।’ [ইবন মাজা : ২৩১, ‘সহীহ’ সূত্রে র্বণতি]

১১. ইলমরে মাধ্যমে নবীদরে ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ :

ইলমরে র্মযাদা ও শ্রষ্ঠেত্বরে অন্যতম নর্দিশন হলো আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবী ও রাসূলর্বগকে দযে়া ইলমকে আপন দান ও অনুগ্রহ হসিবেে আখ্যায়তি করছেনে। এ থকেইে এ দানরে মাহাত্ম্য অনুমযে়। আমাদরে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামরে প্রতি আপন অনুগ্রহ ও দানরে কথা বলতে গযি়ে আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ وَأَنزَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَعَلَّمَكَ مَا لَمۡ تَكُن تَعۡلَمُۚ وَكَانَ فَضۡلُ ٱللَّهِ عَلَيۡكَ عَظِيمٗا ١١٣ ﴾ [النساء : ١١٣]
‘আর আল্লাহ তোমার প্রতি নাযলি করছেনে কতিাব ও হকিমাত এবং তোমাকে শক্ষিা দযি়ছেনে যা তুমি জানতে না। আর তোমার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ রয়ছেে মহান। {সূরা আন-নসিা, আয়াত : ১১৩}
আপন বন্ধু ইবরাহীমরে প্রতি অনুগ্রহ প্রসঙ্গে বলনে,
﴿ إِنَّ إِبۡرَٰهِيمَ كَانَ أُمَّةٗ قَانِتٗا لِّلَّهِ حَنِيفٗا وَلَمۡ يَكُ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ ١٢٠ شَاكِرٗا لِّأَنۡعُمِهِۚ ٱجۡتَبَىٰهُ وَهَدَىٰهُ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ١٢١ ﴾ [النحل: ١٢٠،  ١٢١]
‘নশ্চিয় ইবরাহীম ছলিনে এক উম্মত, আল্লাহর একান্ত অনুগত ও একনষ্ঠি। তনিি মুশরকিদরে অর্ন্তভুক্ত ছলিনে না। সে ছলি তার নযি়ামতরে শুকরকারী। তনিি তাকে বাছাই করছেনে এবং তাকে সঠকি পথে পরচিালতি করছেনে।’ {সূরা আন-নাহল, আয়াত : ১২০-১২১}
ইউসুফ আলাইহসি সালামরে প্রতি অনুগ্রহ প্রসঙ্গে বলনে,
﴿ وَلَمَّا بَلَغَ أَشُدَّهُۥٓ ءَاتَيۡنَٰهُ حُكۡمٗا وَعِلۡمٗاۚ وَكَذَٰلِكَ نَجۡزِي ٱلۡمُحۡسِنِينَ ٢٢ ﴾ [يوسف: ٢٢]
‘আর সে যখন র্পূণ যৌবনে উপনীত হল, আমি তাকে হকিমত ও জ্ঞান দান করলাম এবং এভাবইে আমি ইহসানকারীদরে প্রতদিান দযি়ে থাক।ি’ {সূরা ইউসুফ, আয়াত : ২২}
মূসা আলাইহসি সালামরে প্রতি অনুগ্রহ প্রসঙ্গে বলনে,
﴿ وَلَمَّا بَلَغَ أَشُدَّهُۥ وَٱسۡتَوَىٰٓ ءَاتَيۡنَٰهُ حُكۡمٗا وَعِلۡمٗاۚ وَكَذَٰلِكَ نَجۡزِي ٱلۡمُحۡسِنِينَ ١٤ ﴾ [القصص: ١٤]
‘আর মূসা যখন যৌবনে পর্দাপণ করল এবং পরণিত বয়স্ক হলো, তখন আমি তাকে বচিারবুদ্ধি ও জ্ঞান দান করলাম। আর এভাবইে আমি সৎর্কমশীলদরে পুরস্কার দযি়ে থাক।ি’ {সূরা আল-কাসাস, আয়াত : ১৪}
ঈসা ইবন মারইয়াম মাসীহ আলাইহসি সালামরে প্রতি অনুগ্রহ প্রসঙ্গে বলনে,
يَٰعِيسَى ٱبۡنَ مَرۡيَمَ ٱذۡكُرۡ نِعۡمَتِي عَلَيۡكَ وَعَلَىٰ وَٰلِدَتِكَ إِذۡ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ ٱلۡقُدُسِ تُكَلِّمُ ٱلنَّاسَ فِي ٱلۡمَهۡدِ وَكَهۡلٗاۖ وَإِذۡ عَلَّمۡتُكَ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَٱلتَّوۡرَىٰةَ وَٱلۡإِنجِيلَۖ  ﴾ [المائ‍دة: ١١٠]
‘হে মারইয়ামরে পুত্র ঈসা, তোমার ওপর ও তোমার মাতার ওপর আমার ন‘িআমত স্মরণ কর, যখন আমি তোমাকে শক্তশিালী করছেলিাম পবত্রি আত্মা দযি়,ে তুমি মানুষরে সাথে কথা বলতে দোলনায় ও পরণিত বয়স।ে আর যখন আমি তোমাকে শক্ষিা দযি়ছেলিাম কতিাব, হকিমাত, তাওরাত ও ইনজীল।’ {সূরা আল-মায়দিা, আয়াত : ১১০}

১২. ইলমরে সঙ্গে সম্পৃক্ত হবার র্মযাদা ও সৌভাগ্য :

আলী ইবন আবী তালবি রাদআিল্লাহু আনহু বলনে,
ومن شرف العلم وفضله أنَّ كل من نسب إليه فرح بذلك ، وإنْ لم يكن من أهله ، وكل من دفع عنه ونسب إلى الجهل عزَّ عليه ونال ذلك من نفسه ، وإنْ كان جاهلاً .
‘ইলমরে র্মযাদা ও শ্রষ্ঠেত্বরে অন্যতম দকি হলো য-েই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় সে এ কারণে আনন্দতি হয়। এমনকি সে যদি ইলমরে অধকিারীও না হয়। পক্ষান্তরে যে ইলম থকেে সরে যায় এবং অজ্ঞতায় জড়যি়ে পড়ে তা তার জন্য কষ্টকর মনে হয় এবং এ কারণে সে র্মমপীড়া অনুভব কর।ে এমনকি সে যদি অজ্ঞও হয়। [জামউে বায়ানলি ইলম : ১/৫৯]

১৩. লোকদরে মধ্যে ইলমরে অধকিারীগণই সবচে বশেি ভয় করনে আল্লাহকে :

আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ وَمِنَ ٱلنَّاسِ وَٱلدَّوَآبِّ وَٱلۡأَنۡعَٰمِ مُخۡتَلِفٌ أَلۡوَٰنُهُۥ كَذَٰلِكَۗ إِنَّمَا يَخۡشَى ٱللَّهَ مِنۡ عِبَادِهِ ٱلۡعُلَمَٰٓؤُاْۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ ٢٨ ﴾ [فاطر: ٢٨]
‘আর এমনভিাবে মানুষ, বচিরণশীল প্রাণী ও চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যওে রয়ছেে নানা র্বণ। বান্দাদরে মধ্যে কবেল জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় কর।ে নশ্চিয় আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল। {সূরা ফাতরি, আয়াত : ২৮}
অপর আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ إِنَّ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ مِن قَبۡلِهِۦٓ إِذَا يُتۡلَىٰ عَلَيۡهِمۡ يَخِرُّونَۤ لِلۡأَذۡقَانِۤ سُجَّدٗاۤ ١٠٧ وَيَقُولُونَ سُبۡحَٰنَ رَبِّنَآ إِن كَانَ وَعۡدُ رَبِّنَا لَمَفۡعُولٗا ١٠٨ وَيَخِرُّونَ لِلۡأَذۡقَانِ يَبۡكُونَ وَيَزِيدُهُمۡ خُشُوعٗا۩ ١٠٩ ﴾ [الاسراء: ١٠٧،  ١٠٩]
‘নশ্চিয় এর র্পূবে যাদরেকে জ্ঞান দযে়া হয়ছে,ে তাদরে কাছে যখন এটা পাঠ করা হয় তখন তারা সজিদাবনত হয়ে লুটযি়ে পড়।ে আর তারা বল,ে ‘পবত্রি মহান আমাদরে রব! আমাদরে রবরে ওয়াদা অবশ্যই র্কাযকর হয়ে থাক’ে। ‘আর তারা কাঁদতে কাঁদতে লুটযি়ে পড়ে এবং এটা তাদরে বনিয় বৃদ্ধি কর।ে’। {সূরা বানী ইসরাঈল, আয়াত : ১০৭-১০৯}

১৪. আলমেগণ সরো মুজাহদিদরে অন্যতম :

জহিাদরে একটি প্রকার হলো প্রমাণ ও দলীলরে মাধ্যমে জহিাদ করা। এটইি নবীর উত্তরাধকিারী নতেৃবৃন্দরে জহিাদ। মুখ ও হাতরে জহিাদ থকেে এটি উত্তম। কারণ ইলম র্অজনে বশেি কষ্ট করতে হয় এবং এর শত্রুও বশে।ি আল্লাহ তা‘আলা বলনে,
﴿ وَلَوۡ شِئۡنَا لَبَعَثۡنَا فِي كُلِّ قَرۡيَةٖ نَّذِيرٗا ٥١ فَلَا تُطِعِ ٱلۡكَٰفِرِينَ وَجَٰهِدۡهُم بِهِۦ جِهَادٗا كَبِيرٗا ٥٢ ﴾ [الفرقان: ٥١،  ٥٢]
‘আর আমি ইচ্ছা করলে প্রতটিি জনপদে একজন সর্তককারী পাঠাতাম। সুতরাং তুমি কাফরিদরে আনুগত্য করো না এবং তুমি কুরআনরে সাহায্যে তাদরে বরিুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম (জহিাদ) কর।’ {সূরা আল-ফুরকার, আয়াত : ৫১-৫২}
ইবনুল কায়্যমি রহ. বলনে,
“فهذا جهاد لهم بالقرآن ، وهو أكبر الجهادين ، وهو جهاد المنافقين أيضًا ، فإن المنافقين لم يكونوا يقاتلون المسلمين ، بل كانوا معهم في الظاهر ، وربما كانوا يقاتلون عدوهم معهم ، ومع هذا فقد قال تعالى : ” يا أيها النبي جاهد الكفار والمنافقين واغلظ عليهم ” ومعلوم أنَّ جهاد المنافقين بالحجة والقرآن . والمقصود أنَّ سبيل الله هي الجهاد وطلب العلم ، ودعوة الخلق به إلى الله .”
‘এটি ছলি তাদরে বরিুদ্ধে কুরআনরে সাহায্যে জহিাদ। জহিাদরে প্রকারদ্বয়রে মধ্যে এটইি বড়। একে মুনাফকিদরে বরিুদ্ধরে জহিাদও বলা হয়। কারণ মুনাফকিরা মুসলমিদরে বরিুদ্ধে লড়াই করত না। তারা বরং দৃশ্যত মুসলমিদরে সঙ্গইে থাকত। কখনো তারা মুসলমানরে সঙ্গে শত্রুদরে বরিুদ্ধে লড়াইয়ইে শরকি হত। এতদসত্ত্বওে আল্লাহ তা‘আলা বলছেনে,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ جَٰهِدِ ٱلۡكُفَّارَ وَٱلۡمُنَٰفِقِينَ وَٱغۡلُظۡ عَلَيۡهِمۡۚ وَمَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ ٩ ﴾ [التحريم: ٩]
‘হে নবী, কাফরি ও মুনাফকিদরে বরিুদ্ধে জহিাদ কর এবং তাদরে ব্যাপারে কঠোর হও; আর তাদরে আশ্রয়স্থল হবে জাহান্নাম এবং তা কত নকিৃষ্ট গন্তব্যস্থল ! {সূরা আত-তাহরীম, আয়াত : ০৯} আর বলাবাহুল্য, মুনাফকিদরে বরিুদ্ধে জহিাদ করা হয় কুরআন ও প্রমাণরে মাধ্যম।ে
উদ্দশ্যে হলো, জহিাদ, ইলম র্অজন এবং মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান- সবগুলোই সাবলিুল্লাহ বা আল্লাহর রাস্তা। [দখেুন, ইবনুল কায়্যমি, মফিতাহু দারসি সাআদা : ১/৭০]
আবূ হুরায়রা রাদআিল্লাহু আনহু থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে,
্রمَنْ جَاءَ مَسْجِدِي هَذَا ، لَمْ يَأْتِهِ إِلاَّ لِخَيْرٍ يَتَعَلَّمُهُ أَوْ يُعَلِّمُهُ ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللهِ ، وَمَنْ جَاءَ لِغَيْرِ ذَلِكَ ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الرَّجُلِ يَنْظُرُ إِلَى مَتَاعِ غَيْرِهِ. গ্ধ.
‘যে ব্যক্তি আমার এই মসজদিে কবেল কোনো কল্যাণ (ইলম) শখোর বা শখোবার অভপ্রিায়ে আসব,ে সে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহদিরে র্মযাদার অধকিারী। আর যে অন্য কোনো উদ্দশ্যে নযি়ে আসব,ে সে ওই ব্যক্তরি অনুরূপ যে অন্যরে সম্পদ পরর্দিশনে আস।ে [ইবন মাজা : ২২৭, সহীহ সনদে র্বণতি]

১৫. ইলমরে প্রচারইে (ইলম প্রচারে ঐকান্তকি প্রয়াসরে কারণইে) আলমেদরে র্মযাদা :

আল্লাহ তা‘আলা কবেল দু’টি বষিয়ে পরস্পর হংিসা (র্ইষা) পোষণ বধৈ রখেছেনে : সম্পদ ব্যয় এবং ইলম ব্যয়। আর এটি করা হয়ছেে এ দু’টি জনিসিরে র্মযাদার কারণ।ে আর মানুষকে নানা ধরনরে কল্যাণ আহরণে পরস্পর প্রতযিোগতিায় অবর্তীণ হতে উদ্বুদ্ধ করা হয়ছে।ে যমেন আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদআিল্লাহু আনহু হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলনে,
্র لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ : رَجُلٌ أَعْطَاهُ اللَّهُ مَالاً فَسَلَّطَهُ عَلَى هَلَكَتِهِ فِي الْحَقِّ ، وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْحِكْمَةَ فَهُوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا গ্ধ .
‘দুইটি বষিয়ে কবেল হংিসা করার অনুমতি আছে : ওই ব্যক্তকিে আল্লাহ যাকে সম্পদ দযি়ছেনে। অতপর তাকে সে সম্পদ হকরে পথে ব্যয় করতে ন্যস্ত করছেনে। আর ওই ব্যক্তি যাকে তনিি হকিমাহ বা ইলম দান করছেনে। ফলে সে তা দযি়ে বচিার করে এবং তার শক্ষিা দযে়।’ [বুখারী : ৭৩]
শষে কথা :
আলমে ও ইলমরে র্মযাদা সর্ম্পকে বশে কছিু বষিয় আমরা এখানে আলোচনা করলাম। তবে সকল তালবিুল ইলম ভাইয়রে কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা এ সর্ম্পকে আরও জানতে আগ্রহী হোন। এ সংক্রান্ত নম্নিোক্ত কতিাবগুলো পড়লে আশা করি বশেি উপকৃত হতে পারবনে। যমেন : ‘মফিতাহু দারুস সা‘আদাহ’, ‘জামউে বায়ানলি ইলমি ওয়া ফাযলহিী’, ‘আর-রহিলাহ’ ও ‘আদাবুল আলমেি ওয়াল মুতা‘আল্লমি’ ইত্যাদি আরবী গ্রন্থ।
আল্লাহ তা‘আলা আপনাদরে সকলকে যাবতীয় নষিদ্ধি বষিয় থকেে রক্ষা করুন এবং ইলম, ইলম শখো ও শখোতে কষ্ট সহ্য করায় আপনাদরে উত্তম বনিমিয় দান করুন। আমীন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s