আলবানী ভাইরাস থেকে মুসলিম উম্মাহকে মুক্ত করতে হবে

আলবানী ভাইরাস থেকে মুসলিম উম্মাহকে মুক্ত করতে হবে

জাগো মুসলিম-

তথাকথিত আহলে হাদীস দলটি সৃষ্টি করা হয়েছে মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য। সে কারণে তারা কোনো কথাই মানবে না। প্রশ্ন করবে। উত্তর দিলে শুনতে চাইবে না। বরং তারা বলতেই চায়।শুধু অন্যকে শোনাতে চায়। সে কারণে তারা বেছে নিয়েছে মিডিয়া। যেখানে শুধু বলতেই পারা যায়। শোনতে হয় না।

মূল কথা হলো তাবেঈন ও তবে তাবেঈন এবং কাছাকাছি যুগে বিধর্মীরা ইসলামের বিরুদ্ধে তাদের মরণ কামড় দিতে চেষ্টা করে। সে কারণে সৃষ্টি করা হয় অনেক বাতিল শক্তি। ইসলাম ও মুসলমানের নামে অনেক দল উপদল। কিন্তু আল্লাহ তাআলার ওয়াদা তিনি নিজেই ইসলামকে রক্ষা করবেন। তাই তিনি তৎকালে কায়েকজন বড় বড় মনীষীর মাধ্যমে ইসলামের হক্কানিয়্যাত তথা আসল রূপটি অক্ষতভাবে রেখেছেন। এটি আল্লাহর নীতি। আহলে হাদীসদেরকে নাস্তিকদের মত কান ধরে বোঝাতে হয়। তাই বলতে হয় আল্লাহ তা’আলা যে, কুরআনে ঘোষণা করেছেন তিনি নিজেই ইসলামের সংরক্ষনের দায়িত্ব নিয়েছেন। তার অর্থ কি আল্লাহ তা’আলা নিজে মানুষ বেসে মানুষের মধ্যে এসে ইসলাম রক্ষা করবেন? নিশ্চয়ই না। তার অর্থ কী। তার অর্থ হলো যুগে যুগে এমন মানুষ সৃষ্টি করবেন যারা আসল দ্বীনকে অক্ষত রাখবেন। অন্যন্য ধর্মের মত এটিকে পুরো পুরি বিকৃত হতে দেবেন না। সেই কারণেই যুগে যুগে আল্লাহ তা’আলা মনীষী সৃষ্টি করেছেন। যে যুগের কথা বললাম সে যোগ ছিল ইসলামের অতীব গুরুত্বপূর্ণ যুগ। অর্থাৎ এই যুগে রাসূল (সা.) এর প্রচারিত বিধান সাহাবায়ে কেরাম থেকে তাবেঈনের কাছে আসবে, তাবেঈন থেকে তবে তাবেঈনের কাছে আসবে। সুতরাং এই যুগে যদি ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে ভেজালের অনুপ্রবেশ ঘটানো যায় তবে তা কিয়ামত পর্যন্ত ভেজালে ভেজালে পরিপূর্ন থাকবে। এই কারণেই অনেক বাতিল ফিরকা জন্ম নেয় এই যুগে। তার পাশাপাশি ছিলেন যুগে শ্রেষ্ঠ মনীষীগণ। তারা তাড়াতাড়ি ইসলামের বিধান যাতে মুসলমানদের জন্য সহজ হয় সে জন্য মানুষের সম্ভাব্য যত বিষয় হতে পারে সব গুলো নিয়ে গবেষণা আরম্ভ করেন। প্রত্যেক বিষয়ে হাদীস কুরআনের আলোকে কিভাবে সমাধান করা যায় তা গবেষণায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।এরূপ গবেষকদের মধ্যে সবচাইতে বেশি গবেষণা করেছেন এবং সঠিক গবেষণা করেছেন এমন লোক চার জন্য।ইমাম আবু হানীফা (রহ.), ইমাম শাফেয়ী রহ., ইমাম মালেক রহ. ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ.। এই চার জন ইমাম প্রত্যেকে শত শত সগারিদ ও সমসাময়িক ওলামায়েকেরামকে নিয়ে কুরআন হাদীস গবেষণা করতে থাকেন নিজ নিজ যুগে। মানুষের যত সম্ভাব্য বিষয় থাকতে পারে সব কিছু নিয়েই এরা গবেষণা করেছেন। সব কিছুকে কুরআন হাদীসের আলোকে সমাধান দিয়েছেন। এদের প্রত্যেকেই হাফেজুল হাদীস ছিলেন। এদের মধ্যে ইমাম আবু হানীফাই একক ব্যক্তি যিনি সবচাইতে বেশি বিষয়াদির ইসলামী সমাধান দিয়েছেন। সমস্ত বাতিলের মোকাবেলা করে, ইসলামের নামে বাতিলদের ছড়ানো অগণিত বিষয়দি থেকে ইসলামকে মুক্ত করে কুরআন হাদীস থেকে মাসআলা ইস্তিম্বাত করেছেন। এই কারণেই তাঁকে ইমাম আজম বলা হয়। সে যুগের সকল হক্কানী ইমাম, মুহাদ্দিস এবং আলেম উলামা হযরত ইমাম আবু হানীফা (রহ.) এর ইলম, প্রজ্ঞা ও হাদীস ও কুরআন বিশেষজ্ঞতার মধ্যে একনাম্বারে স্থান দিতেন।এটি সে যুগ যখন সর্বপ্রথম হাদীস সংকলনের কাজ চলছে। এমনকি আবু হানীফা রহ.কে হাদীস সংকলনের প্রথম ব্যক্তি বললেও অত্যুক্তি হবে না। কারণ তাঁর হাদীস সংকলনই হাদীস শাস্ত্রের প্রথম কিতাব।তিনি সাহাবীকেও পেয়েছেন। সরাসরি সাহাবী থেকেও হাদীস গ্রহণ করেছেন। ফিকার রূপকারতো ছিলেনই। ইসলামী বিধানাবলীকে মুসলমানদের মধ্যে সহজ করাই যেহেতু তাঁদের মূল মিশন ছিল সে কারণে ফিকাকেই তারা বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। আর একজন মুজতাহিদের কতগুলো হাদীস মুখস্ত থাকা আবশ্যক তা বর্তমানের তথাকথিত আহলে হাদীসগণ কি বুঝবেন। এরাতো নির্দিষ্ট দুএকটি হাদীসের বই থেকে পড়েই আহলে হাদীস সেজেছেন। ইমাম আবু হানীফা রহ. এত অগণিত বিষয়ে মাসআলা বের করে সমাধান দিয়েছেন যা দেখে দুনিয়ার সকল ইমাম মুজতাহিদ হতবাক। সে কারণে প্রায়ই এক বাক্যে স্বীকার করেছেন ইমাম আবুহানীফা (রহ.) যেমন ফিকার মধ্যে ইমাম আজম তেমনি হাফেজে হাদীসের মধ্যেও তিনি সবচেয়ে বড়। কারণ তিনি যতগুলো মাসআলার সমাধান দিয়েছেন তা পরে মিলিয়ে দেখা হলে দেখা যায় কোনো একটি হাদীস কুরআনের পরিপন্থী নেই।কিন্তু যেহেতু চার ইমাম ইসলামের নামে সকল বাতিলের হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করার জন্য পুরো দমে মিশন চালিয়ে বিজিত হয়েছেন সেহেতু দুনিয়ার সকল বাতিল শ্রেণী তাদের বিরুদ্ধে মনোনিবেশ করে। তাদের দোষ ত্রুটি খোঁজতে আরম্ভ করে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ডাহা মিথ্যা অপবাদ দিতে থাকে।

আজকে আহলে হাদীস নামে এই ক্যান্সার যে সকল হাদীসের কিতাব পড়ে নিজেদের আহলে হাদীস বলে দাবী করে, চার ইমামসহ সলফের সালেহীন এমনকি সাহাবায়ে কেরামের পর্যন্তা বিষোদগার করে তাদের সে হাদীসের কিতাগুলোর সংকলকগণ প্রত্যেকে এই চার ইমামের যে কোনো ইমামের অনুসরণ করেছেন। কেউ কেউ হয়ত কয়েকটি বিষয়ে হাদীস ও কুরআনের সাথে মিলিয়ে নিজের মতের উপর আমল করেছেন। বড় মজার ব্যাপার হলো হাদীসের কিতাবগুলো সাজানো হয়েছে চার ইমামের ফিকাহকে সামনে রেখে এবং ফিকার অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ও পরিচ্ছেদের কথা বিবেচনা করা। তাতে বোঝা যায় এই হাদীসের কিতাবগুলো রচিতই হয়েছে চার ইমামের ফিকহকে শক্তিশালী করার জন্য।  এবং তাই হয়েছে। এইসকল মুহাদ্দিসগণ কেউ বলেননি এই হাদীসের কিতাবগুলো পড়লে মুসলমনাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। প্রত্যেকে একটি বিষয়ে একমত ছিলেন যারা মুজতাহিদ নয় তাদেরকে চার ইমামের যে কোনো ইমামকে মেনে চলতে হবে। তাতে বোঝা যায় চার ইমাম যে মিশন নিয়ে কাজ করেছেন হুবহু সে সে মীশনের পরিপুরক হিসেবে মুহাদ্দিসগণ কিতাব রচনা করেছেন। সে ভাবেই ইসলামের সামগ্রিক বিধান দুনিয়াতে এপর্যন্ত অক্ষতভাবে টিকে আছে। তাঁরা সকলে বাতিলের বিরুদ্ধে কড়কহস্ত। ইসলামের মূল খাকায় বা স্ট্রাকচারে বাতিল নামে কোনো বস্তু প্রবেশ করতে না পারার জন্যই মূলত এই মিশন চালু ছিল।এটা আল্লাহ তা’আলা স্বয়ং নিজেই করেছেন। কারণ ইসলামকে সংরক্ষনের দায় দায়িত্ব তিনি নিজের হাতেই রেখেছেন।

কিন্তু বর্তমানে তথাকথিত আহলে হাদীস নামের একটি নতুনরূপে বাতিল মাঠে এসে ১৪শ বছরের এই মেহনতকে চির তরে ধ্বংস করে দিতে মরিয়া হয়ে কাজ করছে। একদিকে তারা চার ইমামের নামে বিষোদগার করে সাহাবা পরবর্তী্ যুগের সলফে সালেহীনকে হেয়প্রতিপন্ন করে ইসলামের আগমনের পথকে কলোষিত করতে চাচ্ছে। আবার হাদীস গবেষণার নামে আলবানী ইত্যাদির মত ইহুদীকর্ত্ক সৃষ্ট লোক দ্বারা স্বয়ং সিহাহ সিত্তার সংকলক মুহাদ্দিসগণকে কলোষিত করার চেষ্টা করেছে। আল বানীর মত বেআদবই হাদীস গবেষণার নাম বলে ইমাম বুখারী, মুসলিম, তিরমিযীর, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবনে মাজাহসহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণের মতের বিরোধিতা করে সহীহ হদীসকে জয়ীফ আর জয়ীফ হাদীসকে সহীহ বলে বিভিন্ন প্রকার বিভ্রান্তি সৃষ্টির পায়তারা করেছে। আর আহলে হাদীসগণ তো আলবানী ভক্তির এমন পর্যায়ে অবস্থান করছেন, যদি আলবানী সাহেব কোনো হাদীসকে জয়ীফ বলেছেন, আর স্বয়ং নবী করীম (সা.)ও এসে যদি বলে যান এটি আমার হাদীস এবং সহীহ তখনও তারা আলবানীর কথা ছাড়া কিছু মানতে রাজি নয়। তাতে বোঝাই যায় আলবানী সাহেব বিধর্মীদের সৃষ্ট একটি চক্র। আর তথাকথিত আহলে হাদীস নামক লোকজন সে চক্রের ভাড়াকরা সদস্য।

সে কারণে এরা হযরত আবু বকর, হযরত উমর, হযরত আলী ও হযরত সমান (র.) ন্যায়ে ইসলামের খলীফা এবং আরো কত সাহাবীকেও বিভিন্ন অমার্জনীয় ভাষায় কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন না। এরাই বলে হযরত উমরের কথা ইসলাম নয়। এমনকি রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কথা নাকি ইসলাম নয়। নাউজু বিল্লাহ। তাহলে ইসলাম কি আলবানীর কথা? স্বয়ং নবী (সা.), সাহাবী, আইম্মায়ে মুজতাহিদের কথা মানাকে শিরিক আখ্যায়িত করে, আলবানীর মত বেআদবের কথাকেই যদি একমাত্র ইসলাম বলে ধরে নিতে হয় সেরূপ ইসলাম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য ফাসিতে ছড়াওতো জায়েয হবে।

সারা দুনিয়ায় ইহুদীরা ছাড়িয়ে দিয়েছে আলবানীর তাহকীক নামে ভণ্ডামী। সমস্ত কিতাব আলবানী এসে শুদ্ধ করেছেন। আহলেহাদীসের এই শ্রেণী এখন ইমাম বুখারীর বুখারী, ইমাম মুসলিমের মুসলিম, ইমাম তিরমিযীর তিরমিযী, ইমাম আবুদাউদের আবুদাউদ, ইমাম নাসায়ীর নাসায়ী, ইমাম ইবনে মাজার ইবনে মাজা চায় না। তারা চায় আলবানীর বোখারী, আলবানীর মুসলিম, আলবানীর তিরমিযী, আলবানীর নাসায়ী ইত্যাদি।ইসলাম নিয়ে এতবড় ধৃষ্টতা দুনিয়াতে আর কেউ দেখাতে পারেনি। হয়ত পরবেও না। প্রত্যেকটি হাদীসের কিতাবে আলবানী চরম বেআদবীর মাধ্যমে সকল মুহাদ্দিসকে হেয়প্রতিপন্ন করেছে।

এক দিকে বিভিন্ন লেখনীর মাধ্যমে ইমামগণকে হেয় করেছে আলবানী। আবার হাদীস প্রিয়তার নামে সমস্ত মুহাদ্দিসদের উস্তাদ সেজেছে আলবানী। এর মত বেআদব মুসলিম উম্মাহে আর পয়দা হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আচ্ছা আলবানী দুনিয়াতে আসার পূর্বে কি দুনিয়াতে কেউ মুসলমান ছিলেন না? তথাকথিত আহলে হাদীসদের বিভিন্ন মিডিয়াতে বক্তব্য দেওয়ার আগে যারা দুনিয়াতে ছিল তারা কি মুসলমান ছিল না। তারা এক বাক্যে বলেই দেবে সঠিক ইসলাম ছিল না। নাউজু বিল্লাহ।

অত্যন্ত ‍দুঃখের সাথে বলছি! তথাকথিত আহলে হাদীসদের ইহুদী ষড়যন্ত্র এখন মুসলমনাদের গলা ছোয়ার কাছাকাছি। আমি অবাক হয়েছি, বোখারী শরীফের হাদীসের তাখরীজ করা হচ্ছে আলবানীর কিতাব থেকে। অর্থৎ বোখারী শরীফের তাখরীজে লেখা হচ্ছে সাহহাহু আলবানী ফী সিলসিলাতিসসাহী। সেরূপ প্রত্যেক হাদীসের কিতাবের তাখরীজে এখন বোখারী মুসলিমের রেফারেন্স পরিকল্পিতভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সব জায়গায় লেখা হচ্ছে এ হাদীসটি আলবানীর বোখারীর সিলসিলায়ে সহীহ বা জয়ীফ এ এত পৃষ্ঠায় আছে। হাদীস নং এত।

মুসলমানদের সতর্ক করার জন্যই বলছি। এর মাধ্যমে সলফসালেহীন যাদের বলা হয় সকল মুহাদ্দিস, মুফাসসির এবং ইমাম মুজতাহিদদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার সুক্ষ্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিভিন্ন দরসেগাহে এরূপ এহালা বা রেফারেন্সের কিতাব বয়কট করা আবশ্যক। কিতাব কেনার সময়ও এখন দেখে শোনে কেনার সময় হয়েছে। এগুলো ইসলাম ধর্মকে সমূলে বিকৃত করার একটি সুক্ষ্ পায়তারা। দেশের বিজ্ঞ উলামায়ে করামকে এসব বিষয় ভালভাবে বুঝতে হবে। এই সর্বগ্রসী ষড়যন্ত্র থেকে মুসলমানদের উদ্ধার করতে হবে। বিশেষ করে বিদেশী কিতাব কেনার সময় বিষয়টি সকলের নজরে রাখা অতি প্রয়োজন। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন আমীন।

সর্ব শেষ কথা হলো আলবানী ভাইরাস থেকে মুসলিম উম্মাহকে মুক্ত করতে হবে। এই ভাইরাস সময়মত রুখা না গেলে ইসলামকে বিকৃত করে পুরো উম্মাহকে ঈমান, ইসলাম হারা করার ক্যান্সারে রূপান্তারিত হবে।

11 thoughts on “আলবানী ভাইরাস থেকে মুসলিম উম্মাহকে মুক্ত করতে হবে

  1. mostafizur rahman says:

    জনাব, আপনি আলবানীর ভাইরাস থেকে মুসলিম উম্মাহকে মুক্ত করবেন দূরের কথা। আপনি নিজকে একজন গবেষক মনে করেন। অথচ আপনি তার শত্রুতার ভাইরাসে আক্রান্ত। আপনি একজন নিজে আলিম হয়ে থাকলে আরেক জন আলিমকে ইহুদিদের দোসর বলে গালি দিতে পারেন না। আপনি জানেন, আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিস। সুতরাং কারোর ভুল ধরতে গিয়ে আদব বজায় রাখবেন। আপনি যতই ইসলামের জন্য মায়া কান্না করবেন ততই আলবানীর ভাইরাস মানুষকে ধরবে। আপনার এ ভাষা দিয়ে আলবানীর ভাইরাস দূর করা সম্ভব নয়। আপনার গবেষণা আরো উন্নত আরো শিষ্টাচারপূর্ণ আরো গালাগালিমুক্ত হতে হবে। আপনি জানেন, কোন মোসলমানকে গালি দেয়া ফাসিকী। আর আলিমের কথা তো বললামই না। আরেক জনের বেয়াদবি বন্ধ করতে গিয়ে নিজে বেয়াদব হওয়ার কোন মানে হয় না। ধন্যবাদ।

    • allama says:

      আলবানীরা যখন ওলামায়েরামকে কাফির মুশরিক বলে, সকল তাকলীদকারীকে যখন মুশরিক বলা হয়, আলবানীরা যখন ইমাম আবুহানীফারমত ব্যক্তিত্ব ও তাবেয়ীকে গালমন্দ করে, ওলামায়ে দেওবন্দ ও তাবলীগ জমাআতকে যখন মুশরিক বলা হয় তখন আপনার মত আলবানী প্রিয়দের শিস্টাচার কোথায় থাকে? তাকলীদ করলে শিরিক হয় তাহলে আপনারমত আলবানীর তাকলীদকারীদের সম্পকে হুকুম কি হবে আপনি নিজে বলুন। লেখকতো ভালই লেখেছেন। আলবানীদের সর্বগ্রাসী যে ফিতনা তাতে লেখক অনেক কমই লেখেছেন। লেখককে ধন্যবাদ। আপনাকেও

  2. imran says:

    faltu lekha

  3. jaran says:

    লেখককে ধন্যবাদ

  4. babul says:

    ছয় উসুল িবষেয় েকান িলখা নাই েকন? ইসলােমর উসুল কয়িট?

  5. tex says:

    আলবানী তো বুখারী(র) কেও তাকফির করেছে!

    শায়খ নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) ইমাম বোখারী (রহঃ) কে অমুসলিম আখ্যায়িত করেছেন। ইমাম বোখারী (রহঃ) বোখারী শরীফের “কিতাবুত তাফসীর” এ সূরা কাসাস এর ৮৮ নং আয়াতের যে ব্যাখ্যা করেছেন, সে সম্পর্কে নাসীরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) লিখেছেন,
    ان هذا التأويل لا يقول به مؤمن مسلم وقال إن هذه التأويل هو عين التعطيل.

    “এ ধরণের ব্যাখ্যা কোন মুমিন-মুসলমান দিতে পারে না। তিনি বলেন, এ ধরণের ব্যাখ্যা মূলতঃ কুফরী মতবাদ “তা’তীলের” অন্তর্ভূক্ত”

    ইমাম বোখারী (রহঃ) সূরা কাসাসের ৮৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন,
    كُلُّ شَىْءٍ هَالِكٌ إِلاَّ وَجْهَهُ إلا ملكه, ويقال: إلا ما أُريد به وجه الله

    “আল্লাহর সত্তা ব্যতীত সব কিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে”
    এখানে তিনি “ওয়াজ্হুন” শব্দের ব্যাখ্যা করেছেন “মুলকুন” তথা আল্লাহর রাজত্ব। তখন অর্থ হবে, সবকিছু ধ্বংস হবে, তাঁর রাজত্ব ব্যতীত। অথবা “ওয়াজহুন” দ্বারা যা উদ্দেশ্য হবে, তা ব্যতীত সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে।
    [ফাতাওয়াশ শায়েখ আলবানী, পৃষ্ঠা-৫২৩, মাকতাবাতুত তুরাছিল ইসলামী, প্রথম প্রকাশ ১৯৯৪ইং]

  6. amin says:

    লেখককে ধন্যবাদ তার এই সচেতনতামূলক লেখাটি লেখার জন্য। আর আমার এই ক্ষুদ্র জ্ঞানে যতটুকু বিচার বিশ্লেষণ করেছি তাতে আমি এতটুকু বুঝতে সক্ষম হয়েছি যে, মি: আলবানী একজন বিশ্ব বেআদব এবং তিনি ইসলামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই কাজ করতেন কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমাদের জেনারেল শিক্ষিত ভাইয়েরা তা বুঝতে পারেনা।

  7. Helal Helal says:

    আমি শায়েখ মতিয়ার রহমান মাদানির ভিডিও বক্তব্যে দেখেছি ঠান্ডা মাথাই বিয়াদবি করতে।তার মুখ থেকে অহদাতুল ইযুদের ব্যাখা শুনে আমার মনে সন্দেহ হয়েছিল।আমার মনে হচ্ছিল দেওবন্দের আলেমগণ এমন ভুল কিকরে করতে পারে? আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুক।

  8. shahed says:

    সালাম
    আমি লেখকের সাথে একমত এবং
    আল্লাহ উনাকে নেক হায়াত দান করুন।
    দোয়া করি।

  9. arm says:

    hoker dawat e Allah apnader help korun, A-mee—n

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s